নববর্ষে হিরাম কক্স

ইমাম খাইর, সিবিএন:
বাংলা নববর্ষ-১৪২৬ পালন করছে কক্সবাজার সিটি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ।
পয়লা বৈশাখের দিন ভোর থেকে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলা সনকে বরণের কর্মযজ্ঞ।
হিরাম কক্স স্টলে সাজিয়ে রাখা হয়েছে চোখ জুড়ানো হস্তশিল্পের প্রদর্শনী ও নানা ফলমূল।
স্টল থেকে সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন বিভাগীয় প্রধান এসএম আকতার উদ্দিন চৌধুরী। বর্ষ বরণের আয়োজনে তার সঙ্গে রয়েছেন বিভাগীয় শিক্ষক ও শিক্ষিকাবৃন্দ।
‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’–এমন কল্যাণ প্রার্থনা দিয়েই শুরু আজ পহেলা বৈশাখ, বাঙালিদের দিন। বিগত বছরের মলিনতা মুছে দিয়ে নতুন আলোয় স্নাত বাঙালি জাতি আজ প্রবেশ করছে নতুন বর্ষে। আজ ১৪২৬ বাংলা সালের প্রথম দিন। আজ শুধুই বাঙালিয়ানায় মেতে ওঠা, গর্ব ভরে নিজেদের ঐতিহ্য, নিজেদের সংস্কৃতিকে ধারণ করার দিন। আজ আবহমান বাংলার রূপ প্রকৃতিকে বরণ করার দিন। আজ যে বাঁশি বাজবে নগরে বা গ্রামীণ প্রান্তরে তার সুর অমলিন বাঙালির প্রাণ থেকে নিঃসরিত হবে, মিশে যাবে হাজার বছর ধরে এই বাংলায় আমাদের প্রপিতামহদের বাজানো বাঁশির সুরে। আজ মাটির টানে ফেরা, বাঙালির শেকড় সন্ধানের দিন।
প্রতিবছরের মতো আজও বাঙালি তার নতুন বছরকে বরণ করে নিচ্ছে সব বিভেদ ভুলে, নতুনের রঙ ধারণ করে। নগরে কিংবা গ্রামে থাকছে দিনব্যাপী নানা উৎসবের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। এই আয়োজনে নেই কোনও সংস্কারের ছোঁয়া, নেই বিধিনিষেধের বাড়াবাড়ি৷ সূর্যের হাসি ছড়িয়ে পুরনো বছরের সব গ্লানি, অপ্রাপ্তি, বেদনা ভুলে নব আনন্দে জাগবে বাঙালি জাতি।
দিনটিকে উপলক্ষ করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন নানা কর্মসুচি গ্রহণ করেছে। সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা রয়েছে। বিকালে সাগর পাড়ে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৪ এপ্রিল অথবা ১৫ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল এই উৎসব পালিত হয়।

উৎসব শুরু হয় বৈশাখের প্রথম দিন সকালে। হিজরি সালের তারিখ গণনা করা হয় সন্ধ্যার পর থেকে। কারণ হিজরির দিন হিসাব করা হয় চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে। তাই চাঁদ উঠলেই সন্ধ্যা থেকে হিজরি নতুন দিন শুরু। আর বাংলা নববর্ষে নতুন বছরের দিন শুরু হয় সকালে সূর্যোদয়ের পর থেকে। এর অন্যতম কারণ হলো কৃষিকাজ। সূর্য ওঠার পর যেমন কৃষিকাজ শুরু হয় তেমনই দিনটাও সেই ভিত্তিতেই গোনা শুরুর কারণেই দিনের আলোর সঙ্গে সঙ্গে বছর শুরুর রেওয়াজ।

চৈত্রের রুদ্র দিনগুলোর অবসান ঘটিয়ে আজ বাংলার ঘরে ঘরে নতুন বছরকে বরণের উৎসব। এটি বর্তমানে সবচেয়ে বড় উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রকৃতি নতুন রূপ ধারণ করার পাশাপাশি রঞ্জিত করবে সব বাঙালির চিন্তা, চেতনা ও জীবন বোধকেও।

সর্বশেষ সংবাদ

‘ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরে বাধা দিচ্ছেন, প্রাণহানির দায় আপনাদের’

স্থানীয় সরকারের সিনিয়র সচিব গোলাম ফারুক দু’দিনের সফরে কক্সবাজারে

এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনি’

কুতুবদিয়ায় ২ জনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার

শিক্ষকদের ওপর বেশি কর্তৃত্ব ফলান অশিক্ষিত ব্যবস্থাপনা কমিটি: শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেল

ভোটের মাধ্যমে ‘পুনর্গঠন’ চায় তৃণমূল বিএনপি

লামায় কমিউনিটি ক্লিনিক সংস্কার কাজে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ

নাইক্ষ্যংছড়ি কলেজের প্রভাষক আবদুস সাত্তার আর নেই : আসরের পর জানাজা

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালনে কক্সবাজারে ব্যাপক প্রস্তুতি

নির্বাচন কমিশন সচিবের সংগে মতবিনিময় করলেন ঢাকাস্থ রামু সমিতি

বঙ্গবন্ধু বাংলার সাধারণ মানুষের ভালোবাসার কথা ভাবতেন : চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

চট্টগ্রামে জব্বারের বলীখেলায় কুমিল্লার শাহজালাল চ্যাম্পিয়ন

বাংলাদেশ কমিউনিটি মেটস প্রবাসীদের ১লা বৈশাখ উদযাপন

চকরিয়ায় পাওনা টাকা দাবির জেরে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর, আহত ৬

ইউজিপি-থ্রি প্রকল্প পরিচালকের কলাতলী – মেরিন ড্রাইভ চলমান কাজ পরিদর্শন

দারুল আরক্বম তাহফীযুল কুরআন মাদরাসার সবিনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

আলোকিত উখিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আদালতের আদেশনামা গোপন করে শপথ নিয়েছে জমিরী- রফিক উদ্দীন

জেরায় বিমর্ষ সোনাগাজী থানার সেই ওসি মোয়াজ্জেম

পেকুয়ায় শরতঘোনা পয়েন্টে বেড়িবাঁধ বিলীন