ফার্টিলিটি চিকিৎসক যখন নিজেই ৪৯টি সন্তানের জনক

সিবিএন ডেস্ক:
নেদারল্যান্ডস এর ঘটনা। সেখানে একজন ফার্টিলিটি চিকিৎসকের কাজ ছিল সন্তান জন্মদানে সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ডাক্তারি সহায়তা দেয়া এবং তাদের সন্তান নিতে সহায়তা করা।

কিন্তু তিনি এসব ব্যক্তিদের অনুমতি না নিয়ে নিজেই ৪৯ টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

সেই চিকিৎসক বছর দুয়েক আগে মারাও গেছেন। এখন ডিএনএ পরীক্ষায় ধীরে ধীরে এসব তথ্য বের হচ্ছে।

ঠিক কি ঘটেছিলো?

ডাঃ ইয়ান কারবাতের ক্লিনিক ছিল নেদারল্যান্ডসের রটারড্যাম এলাকায়।

এসব ক্লিনিকে আসতেন সন্তান নিতে সমস্যা রয়েছে এমন নারী ও দম্পতিরা।

ফার্টিলিটি ক্লিনিকের একটি কাজ হল কোন পুরুষের কাছ থেকে তার দান করা শুক্রাণু সংগ্রহ করা।

অনেক ক্ষেত্রে শুক্রাণু দানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হয়।

আবার অনেক সময় চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিরা শুক্রাণু দানকারীকে নিজেরা পছন্দ করে নিয়ে আসেন।

এরপর সেই শুক্রাণু দিয়ে ল্যাবে ভ্রূণ তৈরির পর সহায়তা নিতে আসা ব্যক্তিদের সন্তান জন্মদানে সহায়তা কর হয়।

ডাঃ ইয়ান কারবাতে এসব ক্ষেত্রে নিজেই নিজের শুক্রাণু ব্যবহার করতেন বলে এখন জানা যাচ্ছে।

তাও আবার চিকিৎসা সহায়তা নিতে আসা লোকজনের কোন অনুমতি ছাড়াই।

ঘটনাটি যেভাবে বের হল

এই চিকিৎসকের ক্লিনিকে সহায়তার মাধ্যমে জন্ম নেয়া একটি শিশুর চেহারা দেখতে মারাত্মকভাবে মিলে যাচ্ছিলো ডাঃ কারবাতের সাথে।

সেখান থেকেই সন্দেহের শুরু। ২০১৭ সালে তার সহায়তায় জন্মানো ৪৯ ব্যক্তি ও তাদের বাবা ও মায়েরা একই সন্দেহ থেকে আদালতে মামলা করেন।

যাদের বেশিরভাগেরই জন্ম ৮০ দশকে। তাদের সন্দেহ হচ্ছিলো এই চিকিৎসকের সাথে তাদের কোন সম্পর্ক রয়েছে।

কিন্তু ওই বছরই ৮৯ বছর বয়সে মারা যান সেই চিকিৎসক। এরপর তার বাড়ি ও অফিস থেকে বহু কাগজপত্র জব্দ করা হয়।

সেই বছরই ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করে এই ব্যাপারে আদালত জানতে পারে।

কিন্তু এতদিন সবগুলো মামলার কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের ব্যাপারে কিছু বাধা নিষেধ ছিল।

এখন আদালত তথ্য প্রকাশ করার অনুমতি দিয়েছে।

ব্যাপারে সন্তানদের প্রতিক্রিয়া

এগারো বছর ধরে নিজের বাবাকে খুঁজেছেন তার ক্লিনিকে চিকিৎসার মাধ্যমে জন্ম নেয়া একজন।

অবশেষে তিনি জেনেছেন তার বাবা স্বয়ং তার মায়ের চিকিৎসক।

তিনি বলছেন, “১১ বছর ধরে খোঁজার পর এখন আমি আমার জীবনে ফিরে যেতে পারবো। একটি অনিশ্চিত অধ্যায়ের অবশেষে সমাপ্তি হল। আমি খুশি যে অবশেষে আমি আমার প্রশ্নের জবাব পেয়েছি।”

ডাঃ কারবাত নিজেকে দাবি করতেন ‘এসিস্টেড রিপ্রোডাকশন’ বিষয়ক একজন পথিকৃৎ হিসেবে।

যদিও ২০০৯ সালেই তার ক্লিনিকটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো।

তার বিরুদ্ধে সেসময় অভিযোগ ছিল তিনি শুক্রাণু দানকারীদের সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।

এখন প্রশ্ন উঠছে তার জন্ম দেয়া সন্তানের সংখ্যা হয়ত আরও বেশি হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

ইয়াবার আগ্রাসন থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হবে: অধ্যক্ষ হামিদ

উখিয়ায় ইয়াবাসহ আটক-৪ (আপডেট)

চকরিয়ায় শিশু ওয়াসী খুনের মামলার চার্জসিট ৬মাসেও দাখিল হয়নি

চকরিয়ায় এক স্কুল ছাত্র পেকুয়া থেকে ৩দিন ধরে নিখোঁজ

কক্সবাজার পরিবেশ ও মানবাধিকার উন্নয়ন ফোরামের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

কক্সবাজার সিটি কলেজে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ও ব্লাড ডোনেটিং ক্যাম্প সম্পন্ন

কক্সবাজার সদর হাসপাতালকে ৫ শ’ শয্যায় উন্নীত করা হবে : স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ

চট্টগ্রামে কলোনীতে আগুন লেগে মা-মেয়ের মৃত্যু

উখিয়ার বিশিষ্ট ঠিকাদার শাকের উদ্দিনের পিতা আর নেই

উখিয়ায় র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২

লামায় তাজিংডং ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মহেশখালীতে ছাত্রলীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু গোন্ডকাপ ফুটবল টূর্নামেন্ট শুরু

শহর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভুয়া ও নকল লাইসেন্সধারী টমটম

মেধু বড়ুয়ার পিতার মৃত্যুতে জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের শোক

জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় আটক হলো মাদক ব্যবসায়ী দম্পতি

জেলা ছাত্রদলের শোকজ নোটিশের জবাব দিলেন মোঃ সানাউল্লাহ সেলিম

মাঝ সমুদ্রে পড়ে গেলেন প্রিয়াঙ্কা!

১৫ দিনের ভারী বর্ষণে ৫০ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত, পাহাড়ধস ঠেকাতে ‘সেফ প্লাস’ কর্মসূচি

হাসতে হাসতে ২৫ ছাত্রী অজ্ঞান!

প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৬ টাকায় বিক্রি!