এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :
চকরিয়া-লামা-আলীকদম সড়কে কতিপয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা যোগসাজস করে আকস্মিক ভাবে বিআরটিসি পরিবহণের বেশ কয়েকটি বাস গাড়ি প্রবেশ করার দায়ে ওই সড়কের পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ একযোগে চলাচলরত সকল পরিবহন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়ে কর্মবিরতি পালন করেছে। সড়কে যাতায়তে পরিবহণ বন্ধ থাকায় চকরিয়া, লামা ও আলীকদমে অবস্থানরত যাত্রীরা দিন ব্যাপাী চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। আকস্মিক ভাবে লামা-আলীকদম সড়কে বিআরটিসি বাস গাড়ি প্রবেশ করার কারণে শ্রমিক পরিবহণে কর্মরত সদস্যরা ফুঁসে উঠেছে। এনিয়ে শ্রমিকদের মাঝে চলছে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম আরকান সড়ক পরিবহণের অন্তভূক্ত চকরিয়া-লামা-অালীকদম-থানচি সড়কসহ বিভিন্ন অভ্যান্তরীণ সড়কে ১৯৮৩সাল থেকে ওই সড়কে স্থানীয় বাসাগাড়ী, জীপসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যদিয়ে বিভিন্ন পরিবহণ চলে আসছিল। হঠাৎ করে শুক্রবার সকালে চকরিয়া-লামা-আলীকদম সড়কে লামা ও আলীকদম উপজেলার কতিপয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা ওই সড়ক পরিবহণের মালিক-শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে কোন ধরণের পরামর্শ-আলোচনা ছাড়াই ৪-৫টি বিআরটিসি বাসগাড়ি প্রবেশ করান। গাড়িগুলো সড়কে প্রবেশ করার সাথে সাথে সড়কের মালিক শ্রমিকরা ঐক্য হয়ে দিনব্যাপী চকরিয়া শহীদ আবদুল হামিদ পৌর টার্মিনালে মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ কর্মবিরতি পালন করে। ওই দিন বিকালে চকরিয়া-লামা-আলীকদম রোড় কমিটির শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিক আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রফিক উদ্দিনের সঞ্চলনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অবস্থানরত শ্রমিকদের উদ্যশে বক্তব্য রাখেন আরকান সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক কামাল আজাদ, চকরিয়া-লামা-আলীকদম বাস মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল হোসেন কোম্পানি, সাধারণ সম্পাদক সাহাব উদ্দিন মনু, চকরিয়া-লামা-আলীকদম জীপ মালিক সমিতির সভাপতি জামশেদ উদ্দিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক জাফর আহমদ, সহ-সম্পাদক মুহিবুল্লাহ প্রমূখ।
সভায় বক্তারা বলেন, সড়কে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই শ্রমিকরা তাদের অবস্থান থেকে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মবিরতি পালন করে যাচ্ছে এবং করবে। সকলের দাবি একটাই, যে সমস্ত বিআরটিসি বাসগাড়ি লামা-আলীকদম সড়কে ডুকানো হয়েছে ওই বাসগাড়ি যতক্ষণ পর্যন্ত সড়ক থেকে বের করা হয়নি ততদিন পর্যন্ত অনির্ধারিত কর্মবিরতি চলবে। তাদের এ দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।এবং সড়কে সকল যানবাহন কোন সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে ঘোষনা দেন।

  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •  
  •  
  •