ঈদগাঁও সংবাদদাতা

কক্সবাজার সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন থেকে এক রাতে দেড় লক্ষাধিক টাকার ৩টি গরু চুরি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ১১ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পুর্ব ফরাজী পাড়া এলাকার টিকে ব্রিক ফিল্ডের সামনে মৃত আবদুল নবীর ছেলে নুরুল আলম প্রকাশ ঈদগাহ বাজারের “আলম ফ্যাশনের “মালিক আলমের বাড়িতে। এ রিপোর্ট তৈরি করা পর্যন্ত চুরি হওয়া গরু গুলোর হদিস পায়নি গৃহস্থতের স্বজনরা। এ ব্যাপারে অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে ভুক্তভোগীর পরিবার। বাড়ির মালিক নুরুল আলম জানান, প্রতি রাতের ন্যায় গোয়ালঘরের দরজা বন্ধ রেখে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। ভোরে ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখতে পান গোয়াল ঘরের দরজা খোলা। সামনে গিয়ে দেখতে পায় পালিত ৩ টি গরু নাই। গরু গুলো ধরণ একটি বড় আরেকটি মাঝারি এবং অপরটি ছোট। তার মধ্যে বড়টি কালো রঙের, আরেকটি ঘি কালারের ও অপরটি বিভিন্ন রঙের। তিনি আরো জানান, চুরি হওয়া গরু গুলোর বাজার মূল্য আনুমানিক দেড় লক্ষাধিক টাকা হবে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তার ধারণা গরু গুলো চুরি করে পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলার বদরখালী এলাকায় জনৈক ব্যক্তির খামারে থাকতে পারে। খামার মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় সেখানে যেতে পারছে না। উল্লেখ্য, বৃহত্তর ঈদগাঁও থেকে প্রতিনিয়ত গরু চুরির ঘটনা ঘটে আসছিল। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন হার্ট লাইনে অবস্থান করলে কিছুদিনের জন্য গা ঢাকা দেন সঙ্গবদ্ধ এ গরু চোর সিন্ডিকেটটি। ফের গরু চুরির ঘটনা ঘটায় গৃহস্থদের মধ্যে অজানা আতংক বিরাজ করছে। এলাকাবাসী জানান, রাতের বেলায় প্রতি ইউনিয়নে একেকটি টহল টিম জোরদার করা হলে চুরি ঠেকানো যাবে। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, জালালাবাদ ইউনিয়ন থেকে গুরু চুরির বিষয়টি কেউ জানাইনি এখনো। রাত্রীকালিন সময়ে আগের চেয়ে অতিরিক্ত টহল জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, গরু চুরি বন্ধে এলাকাবাসীর সহযোগিতা পেলে নিমিষেই নির্মূল করা হবে গরু চোরদের।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •