মোঃ ওসমান গণিঃ
কক্সবাজার সদরের পোকখালীতে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই অবাধে চলছে ড্রেজার মেশিন ফুলেশ্বরী নদীর বালি উত্তোলন। এতে হুমকিতে রয়েছে বেড়িবাঁধসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি। অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে ফসলি জমির।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানি কমে যাওয়ায় পোকখালী ইউনিয়নে ফুলেশ্বরী নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবাধে চলছে বালি উত্তোলন। এ কাজ করছেন একই ইউনিয়নের বাসিন্দা নবী আলম। দ্রুত বালি উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া না হলে আগামী বর্ষায় এলাকার ফসলি জমি ও বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশাঙ্কা স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা বলেছে, বালি উত্তোলনের ফলে ফসলি জমি ও রাস্তাঘাট নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে। অব্যাহত বালি উত্তোলনের ফলে একদিকে যেমন ফসলি জমি ও কাঁচা-পাকা রাস্তা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। নবী আলম স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এ কাজ অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগ তাদের।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় নবী আলম নামের এক ব্যক্তি বালি উত্তোলন করছে। তে কাজে নিয়োজিত করেছে ১০-১৫ জন শ্রমিক। তারা নদী থেকে বালি নিয়ে ট্রলিতে তুলছে।

যে স্থান থেকে বালি উত্তোলন করা হচ্ছে, তার আশপাশে রয়েছে বিভিন্ন ফসলের আবাদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও কয়েকটি বসতবাড়ি। এ বালি উত্তোলনের কারণে বর্ষা মৌসুমে এসব ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এ বিষয়ে পোকখালী ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমেদ বলেন, অবৈধ বালি উত্তোলনের বিষয়টি আমি অবগত নয়।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম মাহফুজুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •