সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা NWLO  এর human rights unite এর সদস্য ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক এ্যাম্বাসেডর পদে নিয়োগ পেয়েছেন মহেশখালী উপজেলা হোয়ানক ইউনিয়নের শিক্ষক পরিবারের কৃতি সন্তান সুব্রত দত্ত। গত ৫ এপ্রিল ওই সংস্থা পক্ষ থেকে তাকে নিয়োগ দেয়া হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এই সংস্থায় নিয়োগ পাওয়া আন্তজাতিক ও দেশের মধ্যে সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি।

উন্নয়ন সংগঠক, মানবাধিকার কর্মী সুব্রত দত্ত UNDP (HRP) এর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC) এর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত human rights depender’s হিসেবে বর্তমানে কাজ করছেন। একই সাথে সুব্রত দত্ত বর্তমানে মানবিক ও প্রকৃতি উন্নয়ন বিষয়ক উপকূলীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা CCDF এর নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কর্মরত। কর্মজীবনে তিনি ১৯৯৪ থেকে ৯৭ সাল পর্যন্ত নোয়াখালীর চরাঞ্চলে ভূমিহীনদের খাসজমি প্রাপ্তিতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘নিজেরা করি’র প্রতিনিধি হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের এনজিও সমন্বয়কারী সংস্থা এডাব এর চ্যাপ্টার কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রত্যাশী’র পরিচালক ছিলেন। তিনি বাঁশখালী, আনোয়ারা, পারকী এলাকায় উপকূলীয় ও সামাজিক বনায়নের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এছাড়াও স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা ও নেটওয়ার্কের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। পাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় রাজনীতি ও অর্থনীতির উপর বেশ কিছু প্রবন্ধও লিখেছেন সুব্রত দত্ত।


১৯৯১ সালে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী মহেশখালী ও কক্সবাজার সদর উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ কার্যকম চালান তিনি। আাগামীতে সামাজিক সম্প্রীতি ও শান্তির উপর কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন সুব্রত দত্ত।

তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সুব্রত দত্ত মা-বাবার তৃতীয় সন্তান। ১৯৯৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি। তার পিতা প্রবীণ শিক্ষক সতীন্দ্র মোহন দত্ত একজন শিক্ষানুরাগী ও সমাজ হিতৈষী ব্যক্তিত্ব। তার সব ভাইবোন রাষ্ট্রীয় উচ্চ পর্যায়ে কর্মরত রয়েছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •