এ কে এম ইকবাল ফারুক,চকরিয়া :

চকরিয়া উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নে আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুদ্দীন মোহাম্মদ শিবলী নোমান। রবিবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে তিনি এ আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি আশ্রয়ন প্রকল্পের ২০টি পরিবারের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ খবর নেন।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুদ্দীন মোহাম্মদ শিবলী নোমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্প অসহায়দের জন্য নির্মিত আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছি। এ প্রকল্পের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর সমুহের টিনের চালা নষ্ট হওয়ায় নতুন করে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আশ্রয়ন প্রকল্পের লোকজনের পানির সুবিধা নিশ্চিত করতে নতুন করে আরও একটি টিউবওয়েল বসানো হবে। এছাড়া আরও টয়লেট নির্মান করে প্রতিটি পরিবারের স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হবে। আশ্রয়ন প্রকল্পে অবস্থান নেওয়া পরিবার গুলোর জীবনমান উন্নয়নে ঋন সুবিধাও নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।

ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ পরিদর্শন

এদিকে এদিন দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কোনাখালী ও বিএমচর ইউনিয়নে ৪২০ মিটার দৈর্ঘ্য ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুদ্দীন মোহাম্মদ শিবলী নোমান। এসময় তার সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের চকরিয়া অফিসের এস ও মো. তারেক, প্রকল্প কর্মকর্তা ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী হারুন অর-রশীদ ও উপজেলা আইসিটি টেকনেশিয়ান এরশাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুদ্দীন মোহাম্মদ শিবলী নোমান বলেন, উপজেলার কোনাখালী ও বিএমচরসহ কয়েকটি ইউনিয়ন বেষ্টিত ৪২০ মিটার দৈর্ঘ্য ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ আগামী বর্ষা মৌসূমের আগে যদি মেরামত করা না হয় তাহলে উপকূলীয় ৭টি ইউনিয়নে চিংড়ি ও কৃষি ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। কোনাখালী ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কারনে বাগগুজারার সাথে বদরখালী ইউনিয়নের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। চলতি বছরের গত ১৯ জানুয়ারী স্থাণীয় সাংসদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচনায় স্থান পাওয়ায় জরুরী ভিত্তিতে চকরিয়া উপজেলার ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ মেরামত ও নির্মানের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে ৭ র্ফেরুয়ারী একটি পত্র পাঠানো হয়। আশা করি শীঘ্রই এসব ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ নির্মান কাজ শুরু হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •