সকালের নাস্তায় চা নাকি কফি?

সিবিএন ডেস্ক:
কোনটা বেশি ভালো, চা নাকি কফি? এই প্রাচীন বিতর্কের বয়স এই দুই বিখ্যাত পানীয়ের ব্যবহারের বয়সের চেয়ে কম নয়। এই দুই ক্যাফিনযুক্ত পানীয় বিশ্বে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় এবং নাস্তায় প্রায় আবশ্যকীয় পানীয় হয়ে উঠেছে।

দুধ চা, লেবু বা লিকার চা- বিভিন্ন ভাবেই চা পান করে মানুষ। একইভাবে কেউ বেশি ঘন করে দুধ দিয়ে কফি, কেউ বা কালো কফি পান করে। চা বা কফি প্রেমীদের কাছে এসব আসলে তো কেবল পানীয় নয়, প্রেমও।

কিন্তু প্রশ্নটা হলো- সকালের নাস্তার সঙ্গে চা বেশি ভালো নাকি কফি? আমরা জানি যে অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যাফিন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ক্যাফিন খাওয়া হলে স্নায়বিক উত্তেজনা, উদ্বেগ, পেটের সমস্যা, গ্যাস, অনিয়মিত হৃদস্পন্দনসহ বেশ কয়েকটি সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তাই অতিরিক্ত ক্যাফিনে বাধা দেন। ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা এফডিএস নিরাপদ ক্যাফিন ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করেছে ৪০০ মিলিগ্রাম, যার অর্থ হল প্রায় চার থেকে পাঁচ ছোট কাপ কফি।

এবার দেখা যাক এই দুইটি জনপ্রিয় পানীয়ের মধ্যে কোনটি আপনার সকালের জলখাবারের সঙ্গে খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

চা এবং কফি দুইয়েরই নিজস্ব সুবিধা এবং ত্রুটি রয়েছে। সাধারণত দুধ ও চিনি ছাড়াই চা ও কফি খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। কালো কফিতে কালো চায়ের থেকে বেশি ক্যাফিন আছে। কালো চায়ে প্রতি আট আউন্সে (আনুমানিক ২৩৬ মিলিমিটার) প্রায় ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যাফিন থাকে। তবে কালো কফিতে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থাৎ প্রতি আট আউন্সে ১০০ মিলিগ্রাম ক্যাফিন থাকে। তাই যদি আপনার ক্যাফিন-সংবেদনশীলতা বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থাকে তবে কালো কফির পরিবর্তে কালো চা খাওয়া শুরু করুন।

ব্ল্যাক কফি টাইপ-টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে, বিপাক এবং শক্তির মাত্রা উন্নত করে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এমনকি জ্ঞানের উন্নতি, এলার্জি এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। কালো কফি অবশ্য কালো চায়ের থেকে বিপাককে আরও উন্নত করে তুলতে পারে। এ কারণে যারা জিম করেন তাদের ক্ষেত্রে কালো কফি বেশি ভালো।

অন্যদিকে চা সবুজ, কালো, সাদা ও ওলংসহ বিভিন্ন ক্যাফিন সমৃদ্ধ জাতের প্রকারান্তরে পাওয়া যায়। আপনি কোন ক্যাফিনযুক্ত চা পছন্দ করেন তার উপর নির্ভর করছে কোন স্বাস্থ্য উপকারিতা আপনি পাবেন। উদাহরণস্বরূপ, কালো চা রক্তচাপ হ্রাস, রক্তে ​​চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। চা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহে সমৃদ্ধ যা হৃদয়ের কার্যকারিতা রক্ষা করে এবং শরীরের প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

পছন্দের পানীয় থেকে আপনি কোন ধরণের উপকার পেতে চান তার উপর ভিত্তি করেই সকালের পানীয় বাছতে হবে। যদি আপনি দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করতে চান তবে কফি ভালো। কিন্তু যদি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ বাড়াতে চান তবে কালো চা খান।

অ্যাসিডিটির প্রবণতার যাদের আছে তারা কফি এড়িয়ে চলুন, দুধ চিনি ছাড়া চা খান। বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চাইলে সবুজ চা এবং সাদা চা খান। অম্লতার সমস্যায় হার্বাল চা খান।

সর্বশেষ সংবাদ

হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে কোরান বিলির নির্দেশ ভারতের আদালতের

মিন্নির পাশে কেউ নেই! পুলিশ সুপারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

রুবেল মিয়ার মেজ ভাইয়ের মৃত্যুতে সদর ছাত্রদলের শোক প্রকাশ

হালদা দূষণের অপরাধে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশ : জরিমানা ২০ লাখ টাকা

তরুণ সাংবাদিক হাফিজের শুভ জন্মদিন আজ

চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদী’র বরাদ্দ থেকে ১৫০০ পরিবারে চাউল বিতরণ

কলেজ আমার কাছে দ্বিতীয় পরিবার

রামু উপজেলা ছাত্রদল যুগ্ম আহবায়ক সানাউল্লাহ সেলিম কে শোকজ

No more than 2500 Easy Bikes in the city, Acting D.c Ashraf

An awaiting repatriation

25 elites relate to Yaba, SP Masud Hussain

উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : সড়ক বিভাগের জমিতেই নান্দনিক ৪ লেন সড়ক

কক্সবাজারে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৪.৩৯%

নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করতে পারেন কাদের

ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন যেভাবে

নিমিষেই এনআইডি যাচাই করবে ‘পরিচয়’

মনের শক্তিতে জিপিএ-৫ পেলো পটিয়ার সাইফুদ্দিন রাফি

হজে এবার ৮০০ কোটির ওপরে আয় করবে বিমান

ধর্মীয় নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব ডিসি সম্মেলনে

ওসি খায়েরের চ্যালেঞ্জ ছিল রোহিঙ্গা, মনসুরের চ্যালেঞ্জ ইয়াবা