সংবাদদাতাঃ
নাইক্ষ্যংছড়ির পার্শ্ববর্তী কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা মুরা পাড়া এলাকার সরকারি খাস পাহাড় থেকে দেড় শত বছর বয়সী একটি পুরাতন সাপালিশ গাছ কেটে ফেলেছে একদল বনদস্যু। খবর পেয়ে স্থানীয় গর্জনিয়া ভূমি অফিসের তহশিলদার মোঃ সাহেদ ঘটনাস্থল গেলে বনদস্যুরা পালিয়ে যায়। এসময় কোন বনদস্যু আটক করতে না পারলেও শতবর্ষী বিশাল আকার গাছটির ৯ টুকরা কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হন গর্জনিয়া ভূমি অফিসেরর এ কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রামু উপজেলা ভূমি কমিশনার (এসিল্যান্ড) চাই থোয়াইহলা চৌধুরীর নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থল খাস পাহাড় থেকে এসব কাঠ জব্দ করেন। বর্তমানে জব্দ করা কাঠ গুলো তাদের জিম্মায় আছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান। জব্দ করা ৯ টুকরা কাঠ অনুমানিক ১৫০ ঘন ফুট যার মূল্য প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

ঐ এলাকার ৬০ বছরের বৃদ্ধা মৃত বাচা মিয়ার ছেলে ছৈয়দ নুর ও ৭০ বছর বয়সী মৃত আলী আহম্মদের ছেলে খলিলুর রহমান এ প্রতিবেদককে জানান,গাছটি তাদের দাদার আমলের গাছ। এই গাছের বয়স কম পক্ষে দেড় শত বছরেরও বেশি হবে। ঐ পাহাড়ে অবস্থান করা মালিক রশিদ আহাম্মদ (প্রকাশ কাঁঠালিয়া বুড়া) জনান গত বর্ষা মৌসুমে গাছটির গোড়া থেকে মাটি সরিয়ে ফেলার কারনে এই গাছটি পড়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান লোকজন দিয়ে কেটে ফেলে।

এবিষয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুৎফুর রহমান বলেন তিনি এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান। স্থানীয়রা জানান সরকারের লাখ টাকার এই কাঠ গুলি সাইজ করে চেয়ারম্যান তার নিজস্ব কাজে ব্যবহার করতে নিয়ে যেতে তৎপর। গর্জনিয়া ভূমি অফিসার এ কাঠ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) জব্দ করার পর হইতে ইউপি চেয়ারম্যান আবু মোঃ ইসমাঈল নোমান কাঠ গুলো তার নিজস্ব করাত কলে নিয়ে যাওয়ার জন্য জিম্মাদার হতে বড় কর্তাদের কাছে ধর্না দিচ্ছে। এ সংবাদ লেখা কাল পর্যন্ত কাঠ গুলি ঐ স্থানে রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •