মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইসি’র বিধান অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মোট কাস্টিং ভোটের এক পঞ্চমাংশ ভোট নাপেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। কক্সবাজার সদর উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৫৬৬৪৪ জন। কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিসের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী গত ৩১ মার্চ রোববার অনুষ্ঠিত কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১০৮ টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৮৫৬৪০ ভোট কাস্ট হয়েছে। সে অনুযায়ী সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জামানত ফেরত পেতে হলে এক পঞ্চমাংশ হিসাবে ন্যূনপক্ষে ১৭১২৮ ভোট পেতে হবে। তাই সেই পরিমান ভোট না পাওয়ায় ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।
কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আতিকুর রহমান ভোট ২৬৭০ পেয়ে, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল মোর্শেদ ওরফে তারেক বিন মোকতার মটর সাইকেল প্রতীকে ৬৫০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বই প্রতীক নিয়ে বিজয়ী রশিদ মিয়া ১৬৭৫৫ ভোট পেলেও তা মোট কাস্টিং ভোটের এক পঞ্চমাংশের কম। তারপরও বিজয়ী প্রার্থী হিসাবে রশিদ মিয়া জামানত ফেরত পাবেন বলে জেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে। এপদে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে তারা হলেন- টিয়াপাখি প্রতীকের প্রার্থী হাসান মুরাদ আনাচ ১২৭৫৮ ভোট, গ্যাস সিলিন্ডার প্রতীক নিয়ে কাজী রাসেল আহমদ নোবেল ১১৬৩৫ ভোট, তালা প্রতীক নিয়ে কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ১১৩৪০ ভোট, মাইক প্রতীক নিয়ে বাবুল কান্তি দে ৯৪৩৪ ভোট, টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে আমজাদ হোসেন ছোটন পেয়েছেন ৮৮৯০ ভোট, চশমা প্রতীক নিয়ে কাইয়ুম উদ্দিন পেয়েছেন ৭৬৩৫ ভোট, উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে মোরশেদ হোসাইন তানিম পেয়েছেন ৫৯৫৮ ভোট এবং পালকী প্রতীক নিয়ে আবদুর রহমান ১২৮২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পদ্মফুল নিয়ে আয়েশা সিরাজ ১৪৪৬৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। অর্থাৎ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৮ জন পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ১ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ মোট ১১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। প্রত্যেক প্রার্থীই ১০ হাজার টাকা জামানতের অর্থসহ মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।
প্রসঙ্গত, রোববার ৩১ মার্চ কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১০৮ টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহন করা হয়।