আবদুল মজিদ, চকরিয়া:

চকরিয়ার উত্তর মানিকপুর এলাকায় ঔষধের দোকানসহ ৩টি দোকানে রাতের আধারে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে পুড়েগেছে ফার্মেসী ও ২টি চায়ের দোকান। অগ্নিকান্ডে ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের উত্তর মানিকপুর বারআউলিয়া পাড়া এলাকায় ২৬মার্চ (মঙ্গলবার) রাত অনুমানিক ২টার দিকে অগ্নিকান্ডের এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে ও দোকান মালিক আবদুস সালাম সওদাগরের পুত্র আবুল কাসেমের অভিযোগ জানায়, উত্তর মানিকপুর বারআউলিয়া পাড়া এলাকার আবদুল মজিদের পুত্র পল্লী চিকিৎসক জসিম উদ্দিনের সাথে তার (আবুল কাসেমের) ব্যবসায়ীক বিরোধ চলে আসছিলো। এমনকি ব্যবসায়ীক বিরোধের জের ধরে তিনি (আবুল কাসেম)সহ মানিকপুরের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে জসিম উদ্দিন লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় গ্রাম্য ডা: জসিম উদ্দিন গং পরিকল্পিতভাবে রাতের আধারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন ধরিয়ে দেন।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, দোকানে আগুন দেওয়ার ২দিন পূর্বে স্থানীয় জনৈক জাফর সওদাগরের তেলার দোকান থেকে অভিযুক্ত ডা: জসিম উদ্দিন স্থানীয় একই এলাকার মৃত আহমদ হোসেনের পুত্র শাহাদাতের মাধ্যমে দোকান পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য এক বোতল অকটেন ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত ওই অকটেন দিয়েই ডা: জসিমসহ তার লোকজন রাতের আধারে ৩টি দোকান আগুনে পুড়িয়ে দেন। এমনকি অগ্নিকান্ডের স্থলে অকটেন তেলার ব্যবহৃত খালি বোতলটি পাওয়া যায়। ওই বোতলটি নিয়ে জাফর সওদাগরের তেলের দোকানে গেলে দোকানের কর্মচারীরা জানিয়েছেন, উল্লেখিত শাহাদাত তাদের দোকানে খালি বোতলটি ফেরৎ দেওয়ার কথা বলে ২দিন পূর্বে অকটেন তেল ক্রয় করেন। দোকান মালিক জানিয়েছেন, তারা এবিষয়ে অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন গংয়ের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানান।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ৩টি দোকান পুড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •