৪৭ বছরে একটি জাতির ম্যাচিউরিটি আসেনা

মোহাম্মদ তালুত

আমাদের জাতিটা এত দ্বন্দ্বমুখর কেন? কেন এত রেষারেষি? কেন এত বিভেদ, বিভাজন, বিদ্বেষ, পরশ্রীকাতরতা? এ প্রশ্নের জবাব আমি অনেক খুঁজেছি, ভেবেছি। বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে।

যেমনঃ
• অ্যান্থ্রোপলোজিক্যাল বা নৃতাত্ত্বিক কারণেঃ এই দেশটা ছিল আসলে একটা মেল্টিং পট। দুনিয়ার তাবৎ জাতি এসে নিজেদের রক্ত মিশিয়েছে আমাদের অনার্য দ্রাবিড় শিরায়। এত বিচিত্র আমাদের চেহারা, শরীরী গড়ন, অন্য কোন জাতিতে এতটা দেখা যায় না। কেউ ছয় ফিট তো কেউ সাড়ে চার ফিট, কেউ অফ হোয়াইট কাগজের মত সাদা, তো কারও গায়ের রঙ আবার আলকাতরার মত গাঢ়। কারও চেহারা নিগ্রালয়েড তো কারও চেহারা মঙ্গোলয়েড। মালয়েশিয়ানদের অনেকে মিশ্র জাতি বলে কিন্তু ওদের দেখলেই বোঝা যায়, তারা সবাই কমবেশি মঙ্গোলয়েড। তাই মালয়েশিয়ানদের সাথে আমাদের তুলনা করা ভুল। এছাড়াও স্বীকার করতেই হবে জেনেটিক্যালি ককেশীয়দের তুলনায় আমাদের শরীরী গঠন খুব একটা সুবিধার নয়। আসলে ভাল জিনের সাথে খারাপ জিন মিশলে খারাপটাই প্রকট হয়। ফলে আমার ধারণা দুনিয়ার সব জাতির খারাপ বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের মধ্যে প্রবাহমান, ভাল জিনিসগুলো ঢুকতে পারেনি। তাই নিজের মধ্যে খারাপ কিছু দেখলে প্রথমেই মন খারাপ করবেন না, এটা আপনার দোষ না হবার চান্সই বেশি, বরং পূর্বপুরুষদের অবদানই বলা চলে। একটা জাতিতে জেনেটিক হারমোনি আসতে অনেক বেশি সময় লাগে। যদি জিন পুলে নতুন এন্ট্রি না হয়, তাহলে অন্ততঃ ১০ পুরুষ বা আড়াইশো বছর লাগতে পারে ৫০% হারমোনি আসতে। তারপর একটা জাতিতে পরিণত হব আমরা। ফ্রেঞ্চ, ইতালিয়ান, জার্মান বা ব্রিটিশরা কিন্তু আসলে জেনেটিক্যালি অনেক হোমোজিনিয়াস অর্থাৎ জেনেটিক্যালি এরা মোটাদাগে সবাই ককেশীয় ইউরোপিয়ানই, তাই সবাই মিলেমিশে সফল আমেরিকা গড়ে তুলতে তেমন বেগ পেতে হয়নি। আমাদের এশিয়ায় এটা হয়নি। ভারতীয় আর চীনারা বেশ আলাদা জিনবিশিষ্ট। চীনারা অনেক হোমোজিনিয়াস ফলে ঐক্যও গড়ে উঠতে সময় লাগেনি। ব্যাপক উন্নয়নের পথে তারাও অগ্রসরমান। ভারতে ব্যাপক জেনেটিক হেটারোজিনিটি থাকায় অনেক বেশি মতানৈক্য, অনেক বেশি বাধা। আমাদের জিনের কেন্দ্রীয় প্রবণতা খুব কম। এইটা অবশ্য আমার অন্বীক্ষা, বাত্যয় থাকতে পারে, কিন্তু ফলাফল এমনটাই নির্দেশ করে। আমাদের দেশের মানুষের অতিরিক্ত জিন বৈচিত্র্য এবং নিম্নমানের জিনের উপস্থিতি আমাদের ভাগ্যও বিড়ম্বিত করেছে। তবে জিনপুলে নতুন উন্নত জিন যুক্ত না হওয়ায় আমরা হয়ত একটা মাঝারি শরীরী এবং বৌদ্ধিক জাতি গঠন করব যা পরিশ্রম এবং প্রত্যয় দ্বারা ওভারকাম করা যেতে পারে। উন্নত খাদ্য এবং শরীরচর্চায় দীর্ঘদিন পর সেটাও উন্নত হয়ে যেতে পারে। উষ্ণ আবহাওয়া আমাদের অস্থির এবং অধৈর্য হবার পেছনে একটা বড় কারণ। এই গরমে আমাদের এনজাইমগুলোর কার্যক্ষমতা হ্রাস পায় লক্ষণীয়ভাবে, মাথা ঠিকমত কাজ করে না, উদ্ভাবনী ক্ষমতাও কমে যায়। শীতপ্রধানদেশের মানুষের উদ্ভাবনী ক্ষমতার পেছনে ঠাণ্ডা আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য প্রভাব আছে।

• ভৌগলিক কারণে আমরা বেশ বিভাজিত। নদীমাতৃকতা একটা বড় কারণ। এত বেশি নদী এত ছোট্ট জায়গায় আর কোথাও নেই। এই নদী আমাদের পরস্পরের কাছে আসতে দেয়নি হাজার বছর ধরে। আবার একই পাড়ে কিছুদিন কাছে থেকেছি তো নদীভাঙনে অন্যত্র সরে যেতে হয়েছে, বসতি গাড়তে হয়েছে নতুন জনপদে, নতুন জনের সাথে। এভাবে মানসিক ঐক্য আর জমাট বাঁধেনি। তবে এখন ব্রিজ কালভার্ট হয়ে গেছে। চট্টগ্রামের মেয়ে এখন রাজশাহীর ছেলেও বিয়ে করছে। আমি পরিষ্কার ভিজুয়ালাইজ করতে পারি, একদিন এই অনৈক্যও ঘুঁচে যাবে। তবে সময় লাগবে। আঞ্চলিকতা এখনও বেশ প্রকট।
• আর্থসামাজিক বৈষম্য একটা বিরাট কারণ। ব্রিটিশরা আসবার আগে আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে সম্পদ ছিল সারা দুনিয়ার মোট এক পঞ্চমাংশ অর্থাৎ ২০%। ওরা চলে যাবার পর আছে মাত্র ৪%। এই ৪% সম্পদ নিয়ে ২০০ কোটি মানুষের মধ্যে কাড়াকাড়ি। এই বণ্টনও সমভাবে সম্ভব হচ্ছে না, কেননা শুরুতেই গণ্ডগোল হয়ে গেছে। ইউরোপ আমেরিকায় যেখানে মাত্র দুইটা সামাজিক শ্রেণী অর্থাৎ লোয়ার ক্লাস আর আপার ক্লাস সেখানে আমাদের ক্লাস প্রায় ৯ টা শ্রেণী। যেমন উচ্চউচ্চবিত্ত, মধ্যউচ্চবিত্ত, নিম্নউচ্চবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্ত, মধ্যমধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ইত্যাদি…এত বেশি ক্লাস হওয়ায় ইন্টারক্লাস ঈর্ষাও বেশি। উন্নত দেশগুলো ম্যাক্সিমামই ছিল কলোনিগুলো থেকে আহরিত সম্পদ দ্বারা সৃষ্ট শিল্প বিপ্লবের আশীর্বাদপুষ্ট। আমরা ছিলাম তাদের কলোনি। এই ইংল্যান্ডে আমজনতার যে উন্নত বাড়িগুলো এখন দেখা যায়, তা প্রায় দেড়-দুইশ বছর আগেই এরা সেসব লুণ্ঠিত সম্পদ দিয়ে বানিয়েছে। এখনও সেই বাসাই একটু মডিফাই করে আধুনিক বাসায় পরিণত করে বসবাস করছে। সমাজের প্রায় সকল মানুষ সব ধরণের আর্থসামাজিক সেবা উন্নত মানেই গ্রহণ করছে। আপার ক্লাসে সামান্য কিছু মানুষ আছে যারা সমাজ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু তাও আবার আমজনতার ম্যান্ডেট নিয়েই। এদের সংখ্যা নগণ্য এবং আমজনতার সাথে এদের যোগাযোগ খুবই কম। লোয়ার ক্লাসের মানুষও সকল সামাজিক সুবিধা সাধ্যের মধ্যেই উপভোগ করতে পারায় তাদের মধ্যে ঈর্ষা জন্ম নেবার সম্ভবনাই কমে যায়। ঈর্ষা তখনই জন্মে যখন কেউ সুবিধা পায় আর কেউ পায় না। সুযোগের সমতাও এরা জারী রেখেছে সেই সময় থেকেই। সুযোগের সমতা থাকলে আর ঈর্ষা জন্মে না। আমাদের দেশে গ্রামের এক দিনমজুরের সন্তানের পড়াশুনা করার সুযোগ অবশ্যই একজন শহরে বেড়ে ওঠা অফিসারের সন্তানের চেয়ে কম। বিদেশে একজন ড্রাইভার যে বাসায় থাকে, সেই রকম বাসাতেই থাকে একজন প্রোফেসর। একজন ড্রাইভারের বেতন সবমিলিয়ে মোটেও একজন প্রোফেসরের চেয়ে কম না। আমাদের দুর্নীতির একটা বড় কারণও এটা। সুযোগ পেলেই আমরা সেটার অপব্যবহার করি মূলতঃ সেই সব আর্থসামাজিক সুবিধাগুলো পাওয়ার জন্যই যা আমার চেয়ে উঁচু কেউ পাচ্ছে কিন্তু আমি পাচ্ছি না। উন্নত দেশগুলোতে এটা হচ্ছে না কেননা সবাই সমান সুযোগ পাচ্ছে। আবার এই সুযোগ তৈরির শুরুটা কিন্তু বৈষম্যপূর্ণ, অর্থাৎ উপনিবেশগুলো থেকে নিয়ে যাওয়া অর্থেই এই ভারসাম্যপূর্ণ আর্থসামাজিক ব্যবস্থার ভিত্তি তারা গড়ে নিয়েছিল। এখানে স্থায়ী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তারা তাদের দেশকে সুশৃঙ্খল বানিয়েছে। সব মিলিয়ে আপনার মধ্যে যে ঈর্ষাপ্রবণতা বা পরশ্রীকাতরতা তার সূত্রপাত আসলে অনেক অতীতে, আপনার তেমন দোষ নেই। আমাদের মধ্যে কেউ একজন ফর্সা, লম্বা হলেই তাকে অন্যদের অবজ্ঞা করতে দেখা যায়, এমনকি গ্রামেও। উন্নত দেশেও আসলে এটা আছে। আমার ব্রিটিশ বন্ধু কার্টিস যার উচ্চতা সাড়ে পাঁচ ফুট, তাকে প্রায়ই আফসোস করতে দেখি লম্বা হয়নি বলে। কিন্তু সে আফসোসের গভীরতা কম, আরও অনেক কিছু আছে তার করার এবং ভাবার। ওয়ার্কিং ক্লাস ফ্যামিলি থেকে এসে সে একটা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চমৎকার পিইচডি করছে। আমাদের দেশে ওয়ার্কিং ক্লাস থেকে উঠে আসা একটা ছেলের পক্ষে ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ কতটুকু? আমার কথাই ধরা যাক। আমার বাবা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন, সরকারের বেশ বড়কর্তা, লাইব্রেরীর সমস্ত বই এনে বাসা ভরিয়ে রাখতেন। এমন সুযোগ তিরিশ বছর আগে মফস্বলে খুব পরিবারেই ছিল। এত অনুকূল পরিবেশে আমি প্রচুর রিলেটিভ অ্যাডভ্যান্টেজ পেয়েছি, ফলে আমার শিক্ষাদীক্ষা সবই অপেক্ষাকৃত সোজা ছিল। আমি এখন আর নিজেকে কোন ক্রেডিটই দিতে পারি না। আমি অজপাড়াগাঁর কোন চাষির ঘরে জন্মালে হয়ত আজ এই মুহূর্তে ক্ষেতে ধান কাটায় ব্যস্ত থাকতাম। আর চাষির ছেলে আমার পরিবারে জন্মালে আজ এই ইংল্যান্ডে বসে পিএইচডি করত। সুযোগের বৈষম্য সৃষ্টি করছে ঈর্ষা, পরশ্রীকাতরতা। আপনি ভাল পজিশনে আছেন, আপনার চেয়ে নিচু পজিশনে থাকা অন্যরা আপনাকে হিংসা করছে। এটা খুবই স্বাভাবিক। এইটা কমানোর একটাই উপায় অন্যদেরও আপনার অবস্থানে তুলে আনবার চেষ্টা করুন। অহংকার প্রদর্শন বর্জন করুন। আমাদের যে প্রধান সম্পদটা এখন হাতে আছে, অর্থাৎ জনসম্পদ, সেটাকে কাজে লাগাতে পারলে সমাজে একদিন সুযোগের সমতাও চলে আসবে। এটা অবশ্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবু আমি আশাবাদী যে এই চ্যালেঞ্জে আমরা সফল হব।

• স্বাধীনতার মোটে ৪৭ বছর পেরিয়েছে। বলা যায় এই জাতির বয়সই মাত্র ৪৭ বছর। একেবারেই জুভেনাইল জাতি। প্রাকৃতিক সম্পদও তেমন একটা নেই। সবমিলিয়ে আসলে এখনও আমরা দরিদ্র দেশ। ৪৭ বছরে একটা জাতির ম্যাচিউরটি আসে না। বিদেশী কেউ আমাকে যদি বলে আমাদের জাতিটা এত করাপ্ট কেন, আমরা আমাদের নেতাদের খুন করি কেন, আমিও জবাব দেই, তোমাদের জাতির বয়স যখন আমাদের মত ছিল তখন তোমরা ফি বছর চার-পাঁচটা করে রাজা-রাণীর শিরচ্ছেদ করেছ, আর করাপশনে তোমরাও তখন কম যাওনি, সব রকমের অনাচারেই পারদর্শী ছিলা তোমরাও। আমার বাঙালি জাতি আর যাই হোক, তারা কখনও অন্য দেশ আগ্রাসনে বের হয়নি, অন্যদের লুণ্ঠন করেনি, ধর্ষণও করেনি। আর এই দেশ উন্নত হবার পরেও ওসব অপকর্ম আমরা করব না। এক জার্মান উন্মাদ র্যাসিস্টকে আমি সরাসরি জব্দ করেছিলাম তাদের দুই যুদ্ধের ফিরিস্তি দিয়ে। সে আমাদের দুর্নীতি নিয়ে কথা বলছিল তাচ্ছিল্যের সুরে। আমি বলেছিলাম, ‘এখনকার স্বাধীন জার্মান জাতিরাষ্ট্রের বয়স কম করে হলেও এক হাজার বছর। আমাদের জাতির বয়স যখন ১০০০ হবে তখন এসব হিসেব করতে এস। এখন দুই বিশ্বযুদ্ধে নিজেরা কত নারী ধর্ষণ করেছ আর কত নিরাপরাধ হত্যা করেছ সেসব হিসেব কষ’।

যেকোন সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত জাতিরাষ্ট্রে কিছু সমস্যা থাকবেই। একটা বালতিতে পানি নিয়ে সেটায় ঝাঁকুনি দিলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত আলোড়ন থাকে। সময় গড়াতে দিলে পরে সেটা শান্ত হয়। আমাদের সেই ঝাঁকুনিপর্ব এখনও শেষ হয়নি। তাই, কথায় কথায় দেশটাকে গালি দেওয়া বন্ধ করুন, মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা বন্ধ করুন। অনেক যৌক্তিক কারণেই আমরা এরকম , আমাদের দেশটা এরকম। ঠিকও হয়ে যাবে একদিন। যেভাবে হয়েছে আরও অনেক দেশ।

লেখক:  বাংলাদেশ সরকারের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি

সর্বশেষ সংবাদ

মেধু বড়ুয়ার পিতার মৃত্যুতে জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের শোক

জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় আটক হলো মাদক ব্যবসায়ী দম্পতি

জেলা ছাত্রদলের শোকজ নোটিশের জবাব দিলেন মোঃ সানাউল্লাহ সেলিম

মাঝ সমুদ্রে পড়ে গেলেন প্রিয়াঙ্কা!

১৫ দিনের ভারী বর্ষণে ৫০ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত, পাহাড়ধস ঠেকাতে ‘সেফ প্লাস’ কর্মসূচি

হাসতে হাসতে ২৫ ছাত্রী অজ্ঞান!

প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৬ টাকায় বিক্রি!

সাম্প্রতিক খুন-ধর্ষণের ঘটনা বিএনপি-জামায়াতের নিখুঁত ষড়যন্ত্র: আইনমন্ত্রী

নাইক্ষ্যংছড়ি হাজী এম এ কালাম ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আব্দুস সাত্তারের স্মরণ সভা

গুজবে কান দেবেন না, কথিত ছেলেধরাকে আইনের হাতে দিন : জেলা পুলিশ

‘আর্ন্তজাতিক মানের ইকো ট্যুরিজমের জন্যই সোনাদিয়ায় বনায়ন করা হচ্ছে’

খরুলিয়ার মাদক সম্রাট নুরাইয়া অবশেষে পুলিশের জালে

ছেলে ধরা সন্দেহে পুলিশে খবর দিন-ওসি জাকির হোসেন ভূঁইয়া

শাহপরীর দ্বীপে ভাঙ্গা সড়ক দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন

কাজী শুভ’র ‘জড়াও মায়ায়’ গানের ভিউ দুই মিলিয়ন

রাঙ্গামাটিতে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবসের র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইসলামাবাদ থেকে ভারতীয় লবনসহ ৬ টি ট্রাক জব্দ

দুই মাসের মধ্যে ফিটনেসহীন গাড়ির লাইসেন্স নবায়নের নির্দেশ

জনপ্রশাসন পদক পেলো কক্সবাজার জেলা প্রশাসন

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন