শাহেদ মিজান, সিবিএন:
মহেশখালীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও গোলাগুলি হয়েছে। ভাংচুর করা হয়েছে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের অফিস। ২৫ মার্চ রাত ৯টায় উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের নতুন বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজেদুল করিমের সমর্থক যুবলীগ কর্মী এবং সদ্য নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান শরীফ বাদশার সমর্থক আওয়ামী লীগের কর্মীরা উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায়। এময় দু’পক্ষের শত শত কর্মী সমর্থকরা লাঠি সোটা নিয়ে পরস্পরকে ধাওয়া করে। ঘটনা চলাকালীন প্রায় ২০/২৫ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করা হয়। উভয় পক্ষ গুলি ছুঁড়েছে বলে জানা গেছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে নতুনবাজারের সব দোকান পাট বন্ধ করে ব্যবসায়িরা দিকবিদিক পালাতে থাকে। ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক মহেশখালী থানার পুলিশ ও নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্ব থাকা বিজিবির টহল টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত জনতাকে লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের পক্ষ থেকে পরস্পরকে দায়ী করেছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার পাশা জানান, সদ্য নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শরীফ বাদশা আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিসে আসেন। এসময় তাকে সেখানে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরাজিত প্রার্থী সাজেদুল করিমের নেতৃত্বে যুবলীগের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগের অফিসের হামলা চালায় । তারা সেখানে ব্যাপক ভাংচুর করে এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা কামলা কোম্পানিসহ চারজন আহত হয়েছে।

সাজেদুল করিমের অভিযোগ আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা নির্বাচনী ইস্যুতে যুবলীগের কর্মীদের ওপর হামলা করে মারধর ও যুবলীগের অফিস ভাংচুর করেছে করেছে ।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তেজিত দুপক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত কেউ আহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •