জসীম উদ্দীনঃ

অসহায় গরিব পিতার চিকিৎসার খরচ যোগাতে ঝিনুক হাতে সৈকতে আর ফিরতে হচ্ছেনা রাফিয়াকে। সিবিএনসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর রাফিয়া ও তার পরিবারের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে অনেকেই।
তাদের মধ্যে জনপ্রিয় ইউটিউভার তৌহিদ আফ্রিদি, সুমন এবং ইমনও রয়েছেন। বিষয়টি এ প্রতিবেদকের কাছে নিশ্চিত করেছেন মজার টিভির মালিক ও জনপ্রিয় ইউটিউভার মাহাসান স্বপ্ন।
এছাড়া এ প্রতিবেদকের মধ্যমে আরো বেশ কয়েকজন রাফিয়ার বাবা আবদুল মালেক ও চাচা মহিউদ্দীনের সাথে যোগাযোগ করেছেন। এসব শুভকাঙ্ক্ষিরা কেউ রাফিয়ার পড়াশোনার দায়িত্ব,কেউ তার বাবার চিকিৎসা খরচ বহন করে রাফিয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর এক প্রকার গৃহবন্দি হয়ে পড়া রাফিয়ার আর সৈকতের বালিয়াড়িতে ঝিনুক হাতে ফিরতে হচ্ছে না। তার বদলে রাফিয়া ফিরবে স্কুলে। সাম্প্রতিক রাফিয়ার মিষ্টি হাসি ও সুন্দর মায়াবী চেহারার কারণে ভাইরাল হলেও কেউ জানতো না তার পেছনের কঠিন বাস্তবতার গল্প। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে কক্সবাজারের পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল কক্সবাজার নিউজ ডটকম।
সংবাদ মাধ্যমে তার পেছনের গল্প তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় পরিস্থিতি। সংগ্রামী রাফিয়াকে চিনে ফেলে লাখো মানুষ।
রাফিয়ার বাবা আবদুল মালেক বলেন, ‘এখন আমার অনেক ভালো লাগছে। কারণ রাফিয়ার পড়াশোনা আর বন্ধ হচ্ছে না। কয়েকদিনের মধ্যে সে স্কুলে ফিরবে বলে জানান রাফিয়ার বাবা।
কয়েক আগে বছর ঠিক একইভাবে ভাইরাল হয়েছিলেন সমুদ্র সৈকতের আরেক বালক জাহেদ। ‘মধু হই হই’ গানটি তার মাধ্যমে শুধু বিখ্যাত হয়নি। বদলেছে তার জীবনও।
জাহেদ বর্তমানে কক্সবাজারের তারকা মানের হোটেল সাইমুনে কর্মরত আছেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ তার পড়াশোনা ও তার পরিবারের পুরা দায়িত্ব বহন করেছেন।
অনেকেই মনে করছে ঠিক একই পথে হাঁটছে রাফিয়ার জীবনের গল্প।
উল্লেখ্য, ইফতেখার নুর তিশন নামের কক্সবাজার সিটি কলেজের এক ছাত্র রাফিয়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপলোড করলে সঙ্গে সঙ্গে তা ভাইরাল হয়ে যায়।
এরপর থেকে ভয়ে রাফিয়া এক প্রকার গৃহবন্দি হয়ে বাড়িতে সময় কাটাচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •