‘দেশের একডজন নদী থেকে ইলিশের আবাসস্থল হারিয়ে গেছে’

আহমদ গিয়াস:

কক্সবাজারের মাতামুহুরী, চট্টগ্রামের কর্ণফুলীসহ দেশের আরো প্রায় দশটি নদী থেকে ইলিশের আবাসস্থল হারিয়ে গেছে। আরো কয়েকটি নদী থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে জাতীয় মাছ ইলিশ। এ বিপর্যয়ের কারণ হিসাবে বিজ্ঞানীরা প্রধানত: বাঁধ নির্মাণের ফলে পানিপ্রবাহ হ্রাস পাওয়া, পলি জমে নদী ভরাট হওয়া ও জলজ পরিবেশ দূষণকেই দায়ী করছেন।

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার কক্সবাজারস্থ সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ও প্রযুক্তি কেন্দ্র আয়োজিত তিনদিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করেন বিজ্ঞানীরা। ‘ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা: জাটকা সংরক্ষণ কৌশল’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলে, মৎস্য ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও সাংবাদিকসহ ৩০জন সমাজকর্মী অংশ নেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে কক্সবাজারস্থ সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জুলফিকার আলী বলেন, মাতামুহুরী, কর্ণফুলী, ফেনী, ধলেশ্বরী, কালিগঙ্গা, শীতলক্ষ্মা, ধনু, কালনী, হুরাসাগর, কুমার, নবগঙ্গা, চিত্রাসহ বিভিন্ন নদীতে ইলিশের আবাসস্থল সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া গড়াই, মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মহানন্দা ও পদ্মা নদীর উপরের অংশ থেকে হারিয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে জাতীয় মাছ ইলিশ। প্রধানত: বাঁধ নির্মাণের ফলে পানিপ্রবাহ হ্রাস পাওয়া, পলি জমে নদী ভরাট হওয়া ও জলজ পরিবেশ দূষণের কারণেই এ ঘটনা ঘটছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। তবে জাটকা নিধন বন্ধ করা ও প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের মাধ্যমে দেশে ইলিশের প্রাচূর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। জাটকা সংরক্ষণ অব্যাহত রাখা হলে দেশে ইলিশের প্রাচূর্য আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

তিনি বলেন, ২০০৭-০৮ সালে দেশে ইলিশ আহরণ হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু গবেষণার মাধ্যমে ব্যবস্থাপনা কৌশল উন্নত করায় দেশে ইলিশের প্রাচূর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে ২০১৭-১৮ সালে দেশে ইলিশ উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন।

জাতীয় মাছ ইলিশের প্রাচূর্য বৃদ্ধির জন্য বিজ্ঞানীদের কয়েকটি সুপারিশমালাও তুলে ধরেন তিনি।

কর্মশালায় আরো আলোচনা করেন সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ড. আবদুর রাজ্জাক, সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুর রহমান, আশরাফুল হক, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জাকিয়া হাসান, আহমেদ ফজলে রাব্বী, মোজাম্মেল হক, মহিবুল ইসলাম ও প্রকল্প পরিচালক শাহনূর জাহেদুল হাসান প্রমূখ।

সর্বশেষ সংবাদ

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালনে কক্সবাজারে ব্যাপক প্রস্তুতি

নির্বাচন কমিশন সচিবের সংগে মতবিনিময় করলেন ঢাকাস্থ রামু সমিতি

বঙ্গবন্ধু বাংলার সাধারণ মানুষের ভালোবাসার কথা ভাবতেন : চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

চট্টগ্রামে জব্বারের বলীখেলায় কুমিল্লার শাহজালাল চ্যাম্পিয়ন

বাংলাদেশ কমিউনিটি মেটস প্রবাসীদের ১লা বৈশাখ উদযাপন

চকরিয়ায় পাওনা টাকা দাবির জেরে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর, আহত ৬

ইউজিপি-থ্রি প্রকল্প পরিচালকের কলাতলী – মেরিন ড্রাইভ চলমান কাজ পরিদর্শন

দারুল আরক্বম তাহফীযুল কুরআন মাদরাসার সবিনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন

আলোকিত উখিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আদালতের আদেশনামা গোপন করে শপথ নিয়েছে জমিরী- রফিক উদ্দীন

জেরায় বিমর্ষ সোনাগাজী থানার সেই ওসি মোয়াজ্জেম

পেকুয়ায় শরতঘোনা পয়েন্টে বেড়িবাঁধ বিলীন

পেকুয়ায় মুক্তিযোদ্ধার ছেলেকে হত্যাচেষ্টা

চকরিয়ায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের উপজেলা প্রশাসনের আর্থিক সহায়তা

কিশলয় বালিকা স্কুলে দুর্নীতি বিরোধী বির্তক প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা

প্রবাসীদের আত্মকথা

সৈকত আবাসিক এলাকার প্লট অ-আবাসিক/বাণিজ্যিক অনুমতি নীতিমালা প্রণয়ন সভা

প্রচন্ড দাবদাহে জনজীবনে নাভিশ্বাস

কক্সবাজারে পালিত হচ্ছে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ

রামুতে পালিত হয়েছে বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস