বার্তা পরিবেশক:
রামুতে ইউপি চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে জনতার মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহেল সরওয়ার কাজলের আনারস প্রতিকের নেতাকর্মী ও সাধারন ভোটাদেরকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত এগার চেয়ারম্যানদের মধ্যে খুনিয়া পালং চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ,ঈদগড় চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভুট্টো, গর্জনিয়া চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, রাজারকুল চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান ও রশিদ নগর চেয়ারম্যান শাহ আলম সবচেয়ে বেশি অতিরঞ্জিত ও অবৈধ প্রভাব বিস্তার করছে। এসব চেয়ারম্যানরা অতি উৎসাহি হয়ে মূলত স্থানীয় সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমলের আস্থা অর্জন ও তার কাছ থেকে সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে নির্বাচনে বিশৃংখলা সৃষ্টির নানা অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

চলমান উপজেলা নির্বাচনকে অবাদ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নির্বাচন কমিশন(ইসি) চ্যালেঞ্জ ঘোষনা করেছেন। যার সুফল হিসাবে ইতিমধ্যে ১ম ও ২য় দফা উপজেলা নির্বাচন অত্যন্ত নিরপেক্ষ, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সমাপ্ত হয়েছে। এমনকি নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় এমপি মন্ত্রীদেরকেও উপজেলা নির্বাচনে পক্ষ অবলম্বন না করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। অভিযোগের বিত্তিতে ইতিমধ্যে স্থানীয় সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমলকে নির্বাচনি এলাকা ত্যাগ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

কিন্তু রামুতে স্থানীয় সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমলের যোৗগসাজসে রামু উপজেলা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা । তারা প্রকাশ্যে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সোহেল সরওয়ার কাজলের কর্মী সমর্থকদের বিভিন্ন প্রকার হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করে যাচ্ছে। এলাকায় বিভিন্ন সভা সমাবেশে ভোটের আগের দিন রাতে প্রিসাইডিং অফিসারদের ম্যানেজ করে সিংহভাগ ব্যালটে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে রাখা হবে। এবং দিনের বেলায় সন্ত্রাসীদের দিয়ে ভোট কেন্দ্র অবৈধভাবে দখল করে ভোটারকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দিয়ে ব্যালট কারচুপির মাধ্যমে ভোট ছিনতাই করবে, পরিকল্পিতভাবে কাজলের প্রতিদন্ধী প্রার্থীর অফিস ও পোষ্টার পুড়িয়ে দিয়ে কাজলসহ তার কর্মী সমর্থকের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করবে, ভোট কেন্দ্রে আনারস প্রতিকের এজেন্ট প্রবেশ করতে দিবেনা মর্মে নানা হুমকি ধমকি দিয়ে সাধারন নেতাকর্মী ও ভোটারদেরকে আতংখগ্রস্থ করছে।

এব্যাপারে জনতার মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী রামু উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সোহেল সরওয়ার কাজল জানান, রামু উপজেলার এগার ইউনিয়নে সাধারন ভোটারদের মাঝে আনারস প্রতিকে আমার গ্রহনযোগ্যতা, জনপ্রিয়তা এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে তার বিজয় সুনিশ্চিত জেনে স্থানীয় এমপির আর্শিবাদপূষ্ট চেয়ারম্যানরা বেসামাল ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা অবৈধভাবে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনের নিদের্শকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

এব্যাপারে রামুর এগার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সাধারন ভোটারা তাদের প্রবিত্র ভোটের নিশ্চিয়তায় চরমভাবে সংকিত, তাদের প্রশ্ন আদৌ’কি সুষ্টু ভোট হবে! নাকি রাতের আধাঁরে কিংবা কেন্দ্র দখল করে ভোট কারচুপির মাধ্যমে লোক দেখানো নির্বাচনের মনঞ্চায়ন করা হবে এমনি নানা প্রশ্নের সম্মুখীন রামুর সাধারন ভোটারগন।

রামু আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সামশুল আলম জানান, আনারসের জোয়ারে ভাসছে রামু উপজেলা। আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে এলাকার মানুষ আনারস প্রতিকের কাজলকে বিজয় করার মাধ্যমে অপশক্তির বিনাষ ঘটাবে।

এগার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক জানান, এলাকায় জনতার মনোনীত আনারস প্রতিকের সোহেল সরওয়ার কাজলের ভোট রয়েছে শতকরা ৮০ ভাগ। সুষ্ট ও নিরপেক্ষ ভোট হলে কোনভাবে এ বিজয় ঠেকানো সম্ভব না ইনশাল্লাহ।

এব্যাপারে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানবৃন্দ তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •