চুক্তি বনাম সম্প্রীতির পাহাড়ের রাজনীতি

তানভিরুল মিরাজ রিপন:
নির্বাচন গণতন্ত্রের চিহ্ন নয়’ নির্বাচন দিলে যে গণতন্ত্রের প্রকাশ বা চর্চা হবে এমনটা নয়। বাংলাদেশের নির্বাচন এবং সরকার ব্যবস্থাটাকে ম্যাকেয়াভেলি প্রসেস। ম্যাকেয়াভেলির মতাদর্শের শতভাগ চর্চা হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।এক সময় নির্বাচনকে ঘিরে এই জনপদের জনগনের উৎসব উৎসব আমেজ ছিলো।একটা সংস্কৃতির বিকাশ(চর্চা) ছিল। তা এখন মোটেও নাই বললেও চলে। রাষ্ট্রের সকল নির্বাচনে নির্বাচন আয়োজকরা জনগনের আস্থা, বিশ্বাস কোনোটা অর্জন করতে পারেনি।

রাঙামাটিতে ব্রাশফায়ারে চারজন নিহত হয়েছে।পুলিশ বলছে সংখ্যাটা আরো বাড়তে পারে। অবিশ্বাসের এই নির্বাচন জনগনকে খুবই আনন্দিত করছে এমনও না,আবার জনগন আতংকে, ভয়ে নির্বাচন কেন্দ্রে যাচ্ছেনা এমনও নয়। আসলে ভোট দেবার আগ্রহটা হারিয়ে ফেলেছে।ভোট দেওয়ার আগ্রহ জনগনের ভেতর থেকে চলে যাওয়াটা রাষ্ট্র পরিচালকদে একটি আতংকের বিষয়। দিনের পর দিন বিশেষ আয়োজনে নতুন এবং খুব সিরিয়াস ঘোষনার পরেও সাধারন জনগন ভোট দিতে না আসাটা মুশকিলেরই বিষয়। ভোটের সংস্কৃতি একেবারে নাজুক,এটা ফিরে আসবে কি না,সেটিও যথেষ্ট সন্দেহের এবং পর্যবেক্ষণের বিষয়।

রাঙামাটির রাজনীতি জাতীয় রাজনীতির ভেতরে ফেলবার সুযোগ নাই। তিন পাহাড়ের রাজনীতিতে জাতীয় রাজনীতির আদর্শ একেবারে শূন্য অর্থাৎ তাদের কেউই জাতীয় রাজনীতির আদর্শকে চর্চা করে না।তারা প্রত্যেকে নিজেদের সার্কেল ভিত্তিক স্থানীয় রাজনীতির ক্ষমতারোহনের রাজনীতি করে। সুতরাং পাহাড়ের রাজনীতির শান্তি যে শান্তি চুক্তি ফিরিয়ে এনেছে এটা ভাবাটা সম্পূর্ণভাবে বোকামি৷ শান্তি কখনো চুক্তির মাধ্যমে আসে না,শান্তির মনোভাব আসে সম্প্রীতির মাধ্যমে। সেটির সাকু এখনো তৈরী হয়নি।যারই ফল শ্রুতিতে সরকার পক্ষীয় জনপ্রতিনিধির ভাষ্য আর নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর সার্কেল প্রধান এবং পাহাড়ি রাজনীতির ধারক বাহকের মন্তব্যের, বক্তব্যের ভিন্নতা তিন রকমের হয়ে যায়।চুক্তিতে ভালোবাসা নির্মান হয় না,যা হয় তা হলো সুদ আসলের হিসেব। সুতরাং চুক্তি দিয়ে যদি পাহাড়ের সকল শান্তি ফিরে আসতো তাহলে প্রতিবারের নির্বাচনকে ঘিরে খুন দাঙ্গা অথবা বিদ্রোহীদের বিভিন্ন আল্টিমেটাম থাকতো না।

পাহাড়ের রাজনীতি, সম্প্রীতি চর্চার অন্যতম মাধ্যম শান্তিচুক্তির যথাযথ বাস্তবায়নের চেয়ে এখানে বিশ্বস্ত কিছু গর্ভেমেন্টাল পলিসি ব্রীজ দরকার, যার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ থাকলেও কর্মকান্ডের উপস্থিতি একেবারে নেই।পাহাড়ের রাজনৈতিক রসায়নটা সবসময় বিপদজনক এবং আতংকের। এখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফেরত আনতে আরো কিছু গোলাপের বাগন তৈরী করে বিষ লবন পানি ঢালা উচিত নাকি মুখোমুখি বসে আরো দুচারটা চুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া উচিত তা ভাবা জরুরী। ক্ষুধার্ত এবং ওয়াশড লোকেরা সংখ্যায় কম হলেও তারা কখনো শুদ্ধতায় ফিরে আসে না। গোলাপ ফুটাতে হলে আরো কিছু মানবিক৷ খুন দরকার।যা সম্প্রীতির বন্ধনকে গাঁড় করবে।

তানভিরুল মিরাজ রিপন
টকশো উপস্থাপক ও রাজনীতি বিশ্লেষক।

সর্বশেষ সংবাদ

হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে কোরান বিলির নির্দেশ ভারতের আদালতের

মিন্নির পাশে কেউ নেই! পুলিশ সুপারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ

রুবেল মিয়ার মেজ ভাইয়ের মৃত্যুতে সদর ছাত্রদলের শোক প্রকাশ

হালদা দূষণের অপরাধে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখার নির্দেশ : জরিমানা ২০ লাখ টাকা

তরুণ সাংবাদিক হাফিজের শুভ জন্মদিন আজ

চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদী’র বরাদ্দ থেকে ১৫০০ পরিবারে চাউল বিতরণ

কলেজ আমার কাছে দ্বিতীয় পরিবার

রামু উপজেলা ছাত্রদল যুগ্ম আহবায়ক সানাউল্লাহ সেলিম কে শোকজ

No more than 2500 Easy Bikes in the city, Acting D.c Ashraf

An awaiting repatriation

25 elites relate to Yaba, SP Masud Hussain

উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : সড়ক বিভাগের জমিতেই নান্দনিক ৪ লেন সড়ক

কক্সবাজারে এইচএসসিতে পাসের হার ৫৪.৩৯%

নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করতে পারেন কাদের

ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবেন যেভাবে

নিমিষেই এনআইডি যাচাই করবে ‘পরিচয়’

মনের শক্তিতে জিপিএ-৫ পেলো পটিয়ার সাইফুদ্দিন রাফি

হজে এবার ৮০০ কোটির ওপরে আয় করবে বিমান

ধর্মীয় নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব ডিসি সম্মেলনে

ওসি খায়েরের চ্যালেঞ্জ ছিল রোহিঙ্গা, মনসুরের চ্যালেঞ্জ ইয়াবা