cbn  

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা, বিরোধী প্রার্থীর সমর্থকদের মারধর, ভয়ভীতিসহ নানা হুমকি প্রদর্শন এবং ভোট কারচুপির চক্রান্তের অভিযোগ করে চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী। শনিবার কক্সবাজার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন কমিশনের কাছে এই দাবি জানান সাঈদী।

সংবাদ সম্মেলনে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজলুল করিম সাঈদী জানান, নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণার শুরুর দিন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গিয়াস উদ্দীন চৌধুরীর পক্ষে নানাভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম। তিনি উপজেলার বদরখালী, হারবাং, চিরিঙ্গা, কাকারা, ডুলাহাজারা, সাহারবিল, কোনাখালী, বমুবিলছড়ি ও পৌরসভার বিভিন্ন সভা-সমাবেশে বক্তৃতা ও মিছিলের মাধ্যমে নৌকার প্রচারণা চালিয়েছেন। সেখানে তিনি প্রকাশ্যে নৌকার পক্ষে ভোট চেয়েছেন। তার এসব প্রচারণার খবর পত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়েছে। শুধু তাই নয়; সাঈদীর সমর্থিত লোকজনকে প্রচারণা বাধা এবং ভোট কেন্দ্রে না আসতে হুমকি দিচ্ছেন তিনি। ভোট দিতে আসলে ‘পরিণতি খারাপ হবে’ বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে সংসদ সদস্য জাফর আলম। এছাড়াও নৌকায় ভোট দিলে দান-খয়রাতেরও ঘোষণা দিচ্ছেন তিনি।

নির্বাচনী প্রচারণা চালানোকালের সাঈদীর দুই সমর্থককে শর্টগান দিয়ে আঘাত করেছে সংসদ সদস্য জাফর আলম। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এ কারণে সাঈদীর আনারস মার্কার সমর্থক ও ভোটারেরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানা সাঈদী।

সাঈদী অভিযোগ করে বলেন, সংসদ সদস্য জাফর আলমের নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন ও হুমকির বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছি। কিন্তু রহস্যজনক কারণে তারা কেউই এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, আমিও আওয়ামী লীগের মানুষ। আমি দলের মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য দাবিদার ছিলাম। কিন্তু কোনো কারণে আমি পাইনি। কিন্তু দলের হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন না করতে দলের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কোনো নির্দেশনা নেই। তাই আমি নির্বাচন করছি। আমি সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখার জন্য সংসদ সদস্য জাফর আলম ও সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষ ভূমিকা আশা করছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •