মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

কক্সবাজার কৃতিসন্তান শহীদ এ.টি.এম জাফর আলম (মরনোত্তর) স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
রোববার ১০ মার্চ শহীদ এ.টি.এম জাফর আলম সহ ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ২০১৯ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে পদকপ্রাপ্তদের অথবা তাদের প্রতিনিধি ও স্বজনদের হাতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মার্যাদাসম্পন্ন এ পদক তুলে দেবেন।
মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাসিমা বেগম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রবিবার ১০ মার্চ এতথ্য জানানো হয়েছে।
এবছর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য যাঁরা মনোনীত হয়েছেন তাঁরা হলেন-স্বাধীনতা ও মুক্তযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), শহীদ এ.টি.এম জাফর আলম (মরণোত্তর), আ.ক.ম মোজ্জাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ডা. কাজী মিসবাহুন নাহার, মরহুম আব্দুল খালেক (মরণোত্তর), অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ (মরণোত্তর), চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম, সমাজ সেবায় ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ, সংষ্কৃতিতে মুর্তজা বশীর, সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে ড. হাসিনা খাঁন ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
বর্তমান মন্ত্রীপরিষদ সচিব মোঃ শফিউল আলমের বড় ভাই স্বাধীনতা পুরুস্কার ২০১৯ প্রাপ্ত শহীদ এ.টি.এম জাফর আলম উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের রুমখা পালং গ্রামে জম্ম গ্রহন করেন। এ.টি.এম জাফর আলম সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দুর্লভ এই চাকুরীতে যোগদানের নিয়োগ পত্র পান। কিন্তু সিএসপি অফিসার হিসাবে যোগ দেয়ার আগে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রাবাসে এ.টি.এম জাফর আলম শহীদ হন। অত্যন্ত মেধাবী শহীদ এ.টি.এম জাফর আলমের নামে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের নামকরণ ও রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধেছুয়া পালং এ শহীদ এ.টি.এম জাফর আলম মাল্টিপারপাস ইনষ্টিটিউট গড়ে তোলা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •