হারাম উপার্জন সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলে

ডেস্ক নিউজ:
ইসলাম ধর্মমতে সব ধরনের ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার জন্য রিজিক হালাল হওয়া জরুরি। হালাল রিজিকের প্রভাব শুধু নিজের দুনিয়া ও আখেরাতের সৌভাগ্যের জন্যই যে জরুরি তা নয়, নিজের সন্তানের ওপরও এর প্রভাব থাকে। রুজি-রোজগারে খুব সামান্য, এমনকি বিন্দু পরিমাণ হারামের প্রভাব সন্তানের মাঝে প্রকাশ পায়।

মানুষ হিসেবে আমরা ভুল-ক্রুটির ঊর্ধ্বে নই। ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, জেনে না জেনে আমাদের থেকে ভুল আচরণ প্রকাশ পেতেই পারে। আমাদের জীবনে যদি এ জাতীয় ঘটনা ঘটে থাকে। অর্থাৎ আমরা যদি অন্যের কোনো কিছু ভোগ করে থাকি বিনা অনুমতিতে এবং এ জন্য পরে মালিকের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা না করি- তাহলে অবিলম্বে ক্ষমা বা তার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

যদি মালিক মারা গিয়ে থাকেন তাহলে তার সন্তানদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আর যদি তাদের কাউকেই পাওয়া সম্ভব না হয় তাহলে ওই পরিমাণ সম্পদ তাদের নামে সদকা দেয়া উচিত। সেই সঙ্গে তওবাও করতে হবে, ভবিষ্যতে এ কাজ আর না করার।

বস্তুত আল্লাহর প্রতি দৃঢ়-বিশ্বাস ও ভরসা করাই হচ্ছে খাঁটি মুমিনের বৈশিষ্ট্য। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে কারিমে বলা হয়েছে, ‘তোমরা মন-ভাঙ্গা হয়ো না, হীনবল হয়ো না, তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।’ আল্লাহতায়ালা সূরা ইবরাহিমে আরও বলেছেন, ‘যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।’

তাই সর্বাগ্রে আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। আমাদের প্রচেষ্টা যদি আন্তরিক হয়, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়- তাহলে আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা আমাদের সমস্ত বৈধ বাসনা পূরণ করবেন, আমাদের দোয়াসমূহ কবুল করবেন।

আল্লাহতায়ালা আমাদের সব সমস্যার সমাধান দিতে পারেন এই দৃঢ়-বিশ্বাস আমাদের রাখা উচিত। আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে পথ-নির্দেশনা কামনা করলে, আল্লাহ অবশ্যই তা কবুল করবেন। আল্লাহর মর্জি হলে, যা ঘটা আপাতদৃষ্টিতে অসাধ্য বলে মনে হয় তাও সাধন সম্ভব।

অনেক খোদাভীরু ব্যক্তির কথা জানা যায়, যারা ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বলে নদীর পানির ওপর দিয়ে এমনভাবে হেঁটে নদী পার হয়েছেন যেভাবে আমরা পার হই মাটির রাস্তা। আল্লাহর প্রিয়পাত্রদের জন্য এসব খুবই সাধারণ ঘটনা। তার মানে এটা নয় যে, সবাইকে পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে হবে। বিষয়টি শুধু শিক্ষা অর্জনের জন্য উল্লেখ করা হলো।

আমাদের সন্তানরা ভালো থাকুক, এটা সবারই কাম্য। কিন্তু তাদের ভালো রাখতে যেয়ে, শান্তি নিশ্চিত করতে তাদের মুখে হারাম খাবার, গায়ে হারাম পোষাক দেওয়া ঠিক হবে না। এটা তাদের ভবিষ্যতকে ধ্বংস করারই নামান্তর। তথ্যসূত্র: অনলাইন থেকে সংগৃহীত।

সর্বশেষ সংবাদ

একজন চেয়ারম্যান এইচ, কে, আনোয়ার এবং কাছ থেকে যা দেখা:

মাদককে ‘না’ জানালো মাদকসেবীরা

রে‌ডি‌য়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড প‌রিদর্শনে জনপ্রশাসন প্র‌তিমন্ত্রী

আমি প্রকৃত নৌকা প্রেমিক, প্রমাণ করেই ছাড়ব -এমপি বদি

নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের সুযোগ নিন : কায়সারুল হক জুয়েল

চকরিয়ায় মাঠ দিবস ও কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

চকরিয়ায় দুইদিন ব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা শুরু

বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া এতিমখানায় বঙ্গবন্ধুর ৯৯ তম জন্ম দিবস উদযাপন

রামুতে আনারস প্রতিকের কর্মী সমর্থকদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ

ইসলামাবাদে দুই দিনব্যাপি হিফজুল কুরআন ও ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

গর্জনিয়া উচ্চবিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়ার উদ্বোধন

বাঘাইছড়িতে সেভেন মার্ডারে মামলা দায়ের,তদন্ত কমিটির বৈঠক চলছে

লিগ্যাল এইড দিবস উৎসবমূখর পরিবেশে পালন করতে হবে : জেলা জজ

সেই ঝিনুক বিক্রেতা রাফিয়া এখন গৃহবন্দী

সদরের বিভিন্ন এলাকায় ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহমানের গণসংযোগ

পিটিআই’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

চশমা মার্কার পক্ষে জনতার ভালোবাসার জোয়ার

তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পরীক্ষা থাকছে না

কিডনি রোগ থেকে বাঁচার উপায়

উখিয়ায় ভোরের ডাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন