এফ এম সুমন, পেকুয়া:

উপজেলা চেয়ারম্যান যখন প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষক তখন খবরটি বেশ আনন্দের আর আমাদের জনপ্রতিনিধিরা দিন দিন শিক্ষার উপর কতটা জোর দিচ্ছেন সেটা আর বুঝতে বাকি থাকে না। বলা হয় শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতির সোপানে পৌছাতে পারে না। আমরাও শিক্ষা বান্ধব জনপ্রতিনিধি চাই। সম্প্রতি পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজু প্রাইমারী স্কুলে গিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন শিক্ষকদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন যাতে শিক্ষার্থীরা খুবই মনোযোগী হয়ে তার কথা শুনছেন এবং সে সবাইকে দেশ প্রেমিক হওয়ার শিক্ষা দিচ্ছেন।

পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানকে কেউ কেউ শিক্ষাবান্ধব মানুষ বলেন। তার কারন তিনি স্কুলের অনুষ্ঠান বাদ দেন না। এবং স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয় আবার কারো কারো কাছে সে আইডলও বটে। এ বিষয়ে কথা হয় পেকুয়া সদরের মইয়্যাদিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেনীর এক ছাত্রের সাথে। সে বলে চেয়ারম্যান আমাদের স্কুলে আসায় আমরা খুব মজা পেয়েছি তিনি আমাদের পতাকা আঁকা শিখিয়েছেন। তার মতো কথা হয় হরিনাফাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিফা সোলতানা নামের আরেক শিক্ষার্থীর সাথে। চেয়ারম্যান স্কুলে আসায় সেও খুবই আনন্দিত সে আগে নিয়মিত স্কুলে আসতো না তার মতে সে এখন প্রতিদিন স্কুলে আসবে সে বড় হয়ে ডাক্তার হবে।

চেয়ারম্যানের আকষ্মিক স্কুল সফরে যাওয়াকে খুবই ইতিবাচক বলছেন অবিভাবকেরা। তারা বলছেন, আমরা এমন জনপ্রতিনধি চেয়েছিলাম যারা আমাদের সন্তানদের কাছে হবে আইডল। উপজেলার শিক্ষাবিদরা মনে করেন, রাজুর মতো দেশের জনপ্রতিনিধিরা যদি শিক্ষার ক্ষেত্রে আরো সচেতন হয় তাহলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মান আরো অনেক দুর এগোবে।

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাফায়েত আজিজ রাজুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার উপজেলায় সরকার অনেক নতুন নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় দিয়েছেন। এ এলাকার শিক্ষকেরাও খুবই আন্তরিক। আমি উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে আর বেশি দিন থাকবো না তবে শিক্ষার জন্য আমরা সহযোগিতা সবসময় উন্মুক্ত থাকবে। শিক্ষার উন্নয়ন করতে পারলেই দেশ উন্নত হবে। আমরা সবাই মিলে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •