বিশেষ প্রতিবেদক:
কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার মাঝেরঘাট এলাকায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলায় একই পরিবারের ৫ জন আহত হয়েছে। আহতরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এসময় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে নগদ আড়াই লাখ টাকা। ৪ মার্চ বিকেল ৩টার দিকে এঘটনা ঘটে।

জানা যায়, শহরের পূর্ব টেকপাড়া এলাকার মরহুম আবদুল করিম প্রকাশ নাগু কমিশনারের পুত্র আবদুল জলিল ডালিম প্রতিদিনের ন্যায় ৪ মার্চ বিকেল ৩টার দিকে মৎস্য ব্যবসা শেষে মাছ বিক্রির নগদ টাকা নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে উত্তর টেকপাড়াস্থ মিজানের টমটম গ্যারেজের সামনে পৌছঁলে স্থানীয় কায়সারের নের্তৃত্ত্বে পূর্বে থেকে উৎপেতে থাকা একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তার উপর হামলা চালায়। এসময় ব্যবসায়ি ডালিমকে মাথায় ৫টি কুপের আঘাত করে রক্তাত্ত জখম করা হয় এবং নগদ আড়াই লাখ টাকাসহ মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসিরা। পরে খবর পেয়ে ডালিমের মা, ভাই, বোনসহ আত্মীয় স্বজন ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসি কায়সার, আবু খালিদ, বোরহান, হেলাল, রেজাইল, আতিকসহ আরো অজ্ঞাত ৭/৮ জন সন্ত্রাসি তাদেরকে এলাপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় ডালিম, ডালিমের মা, বোন ও ভাইকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আশংকাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন ব্যবসায়ি আবদুল জলিল ডালিম ও তার ‘মা’ আনোয়ারা বেগম, বোন কামরুন নাহার, ছেলে ওমর ইশরাত নিহাল।

আহত ডালিমের ছোট ভাই মিজানুল করিম জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এবং টাকা ছিনিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যে আমার ভাইয়ের উপর হামলা চালানো হয়েছে। যা খুবই নেক্ক্যারজনক। যেভাবে আমার (মিজান) ভাইকে কুপিয়েছে তা বর্ণনা বিহীন। মূলত ছিনিয়ে নেয়া টাকার ব্যাপারে যে সে কিছুই বলতে না পারে সেজন্য পরিকল্পিতভাবে মেরে ফেলার জন্য এই হামলা করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলে যাওয়া এসআই আরিফ জানান, ব্যবসায়ি ডালিমকে বেধড়ক কুপানো হয়েছে। তাকে তার আত্মীয় স্বজনদের মাধ্যমে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়নের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার পিপিএম জানান, মারামারির ঘটনা শুনার সাথে সাথেই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •