প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

ধুতাঙ্গ সাধক শরণংকর থের। বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। যাঁর নেতৃত্বে প্রায় ১০ জন শিষ্য ইতোমধ্যে উখিয়া উপজেলার রেজুরকুল গ্রাম থেকে পদব্রজে ভগবান বুদ্ধের বুদ্ধত্ব লাভের স্থান ভারতের বিহার রাজ্যের বুদ্ধগয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন। শরণংকর থের নামে একজন ধুতাঙ্গ বৌদ্ধ ভিক্ষু। যিনি ১৫ বছর ধরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার গহীন জঙ্গলে ধর্মের ধ্যানে একাকি মগ্ন ছিলেন। এদিকে শরণংকর থের’র ধর্ম প্রচারের এরকম অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত শুধু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঝে নয়, নজর কেড়েছে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে। কারণ, শরণংকর থের-এর এই ধরণের ধর্ম প্রচারের দৃশ্য আবারো প্রমাণ করিয়ে দিয়েছে স্বধর্ম পরিপালনের মাধ্যমে যেরকম একজন সঠিক মানুষ হওয়া যায় ঠিক তেমনি ভাবে সম্প্রীতির বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করা সম্ভব হয়। তাই যেন ধুতাঙ্গ সাধক শরণংকর থের-এর নেতৃত্বে পদব্রজে ভারতের বুদ্ধ গয়ায় যাওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানাতে জড়ো হয়েছিলেন ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের নর-নারীরা।

ধুতাঙ্গ সাধক ভান্তে শরণংকর থের’র নেতৃত্বে তাঁর শিষ্যদের পদব্রজে ভারতের বিহার রাজ্যের বুদ্ধগয়ায় যাওয়ার প্রাক্কলে স্বাগত জানাতে এসেছিলেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী কমরেড দিলীপ বড়–য়াও।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্ট্রি ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কার্যকরী সভাপতি এডভোকেট দীপংকর বড়–য়া পিন্টু, জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অমরবিন্দু বড়ুয়া অমল, ঘুমধুম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দীপক বড়–য়াসহ অনেকে। বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্ট্রি ও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কার্যকরী সভাপতি এডভোকেট দীপংকর বড়–য়া পিন্টু বুধবার জানান-ভান্তে শরণংকর থের’র নেতৃত্বে পদব্রজে বুদ্ধগয়ায় উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়া সকলে বর্তমানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কাছাকাছি স্থানে অবস্থান করছেন। তিনি আরো জানান- তথাগত ভগবান গৌতম বুদ্ধ পায়ে হেঁটে ধর্ম প্রচার করেছিলেন। তারই নিয়মতান্ত্রিকতায় একজন সাধক ভান্তের নেতৃত্বে এ ধরণের উদ্যোগ মানুষের মাঝে ধর্মীয় ভাব বিকাশের মাধ্যমে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পদব্রজে আগামী মার্চের ৮ তারিখের দিকে বেনাপুল সীমান্ত বন্দর দিয়ে সুদূর ভারতের কলকাতায় প্রবেশ করে বুদ্ধ গয়ায় পৌঁছবেন বলে আশা করেন তিনি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •