cbn  

তাজুল ইসলাম পলাশ, চট্টগ্রাম: 

বিমান ছিনতাই চেষ্টার ঘটনায় মামলা হওয়ার পর মামলা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে নগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিইউ)। তদন্তে নেমে প্রথমেই আলামত হিসেবে বিমানটি জব্দ করে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এমনটি জানিয়েছেন দায়িত্ব পাওয়া সিএমপি’র কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া।

তিনি বলেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর শাহ আমানত বিমান বন্দর পরিদর্শনে গিয়ে প্রথমে আলামত হিসেবে বিমানটি জব্দ করে সিভিল এভিয়েশনকে জিন্মায় দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া র‌্যাব এবং প্যারা কমান্ডোর কাছে যেসব আলামত রয়ে গেছে, সেগুলো হেফাজতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

সিএমপি’র কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান উপ-কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি স্পর্শকাতর। যেহেতু এরকম ঘটনা এই প্রথম। এজন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের একটি টিম আজ (মঙ্গলবার) সকালে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় উড়োজাহাজটির ভেতরেও তারা ঘুরে ঘুরে দেখেন। উড়োজাহাজটি এখন রয়েছে সিভিল এভিয়েশনের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সরওয়ার ই আলমের জিম্মায়।

এর আগে গত ২৪ ফেরুয়ারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ‘ময়ূরপঙ্খী’ উড়োজাহাজটি (বিজি-১৪৭ ফ্লাইট) ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিকেল ৫টা ৫মিনিটে ছেড়ে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। উড্ডয়নের পরই উড়োজাহাজটি ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে।

প্রায় তিন ঘণ্টার পর উড়োজাহাজ ছিনতাই চেষ্টার অবসান ঘটে। সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মাত্র আট মিনিটের কমান্ডো অভিযানে উড়োজাহাজটিতে থাকা পলাশ আহমদ (২৫) গুলিতে নিহত হন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •