পেকুয়া প্রতিনিধি: 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলহাচুরা এলাকায় গুলিতে দুই ব্যক্তি নিহত ও সাতটি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মোহাম্মদ মতিউল ইসলাম। এসময় তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন।

গত শনিবার ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ এক নারীসহ ১২জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। রোববার পুলিশ ওই ১২জনসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেছে। গ্রেপ্তার ১২জনকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকালই জেলহাজতে পাঠানো হয়।
পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, সাতটি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১২জনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে পুলিশ ১৭জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে। তবে গুলিতে দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় এখন  রোববার রাত নয়টা) পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।  জেলহাজতে যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিলহাচুরা এলাকার ইউপি সদস্য আরিফুল ইসলামের ছেলে ওয়াহিদুল ইসলাম (২২), দিদারুল ইসলাম (২৬), ছেনুয়ারা বেগম (৩৫), মো. হুমায়ুন (১৮), আতাউদ্দিন (৪০), চকরিয়া পৌরসভার পালাকাটা এলাকার মিজানুর রহমান (২৮), বিনামারা এলাকার মো. ইকবাল (২৪), কাহারিয়া ঘোনা এলাকার মো. শাহাজাহান (৩৮), করাইয়াঘোনা এলাকার
মো. ওসমান গণি (২৪), চকরিয়া উপজেলার চিরিংগা ইউনিয়নের চরণদ্বীপ এলাকার মো. ইয়াহিয়া (৩৫), মো. নুর (৩২) ও আব্দুল কাদের (৩২)।

 রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঘটনাস্থল পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিলহাচুরা এলাকা পরিদর্শন শেষে কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ মতিউল ইসলাম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি বলেন, মাছের ঘেরে পানি ঢুকানো নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে দুজন নিহত হন। পুলিশ এখন অভিযান চালাচ্ছে। হত্যার ঘটনায় যাঁরা জড়িত, পুলিশ কাউকেই ছাড় দেবে না।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •