বিশেষ প্রতিবেদক:
চকরিয়ার আওয়ামী লীগের রাজনীতির মাঠে খুব পরিচিত ও জনপ্রিয় নাম জাহেদুল ইসলাম লিটু।

ছাত্র রাজনীতির মাঠ থেকে ওঠে গিয়ে তিনি এখন বিচক্ষণ, বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী রাজনীতিক।

বর্তমানে চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পলন করছেন এককালের তুখোড় এই ছাত্রনেতা।

জাহেদুল ইসলাম লিটু ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে কক্সবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনে চকরিয়া উপজেলার ৭নম্বর ওয়ার্ড থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। পরে সকল সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে তিনি জেলা পরিষদের এক নম্বর প্যানেল চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন। তিনি পৌরসভার কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র ছিলেন।

২০১৬ সালে চকরিয়া পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জাহেদুল ইসলাম লিটু। পরে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে সরে দাঁড়ান।কাজ করেন দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে।  তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করলেও সব দল মতের মানুষের সাথে রয়েছে সুসম্পর্ক। তাকে ক্লিনইমেজের প্রার্থী হিসেবে মনে করে করে সব শ্রেনীর মানুষ।

আসন্ন উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে জাহেদুল ইসলাম লিটুকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা চায়।

আওয়ামী লীগের উপজেলা পর্যায়ের এক নেতা বলেন, জাহেদুল ইসলাম লিটু দলের ভেতরে বাইরে সবার কাছে জনপ্রিয়। তিনি কর্মীবান্ধব নেতা। দলের সুসময়ে দুঃসময়ে তাকে পাওয়া যায়। অনেকে তাকে দলের বটবৃক্ষ হিসেবেও ভাবেন। সবদিক বিবেচনায় তিনিই একমাত্র চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন।

 

প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে জাহেদুল ইসলাম লিটু বলেন, অাওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি অবিচল। ছাত্র জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছি। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী ফোরাম আমাকে মূল্যায়ন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

জননেতা লিটু বলেন, তরুণদের হাতে নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যৎ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণদের আকর্ষণ করতে পেরেছেন। তাই বিপুল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা নিয়ে আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করেছে। আমি তরুণ ভোটার ও তরুণ নেতৃত্বকে স্যালুট জানাই। তারুণ্য নির্ভর সমাজ গড়তে আমি আত্নপ্রত্যয়ী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •