মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনেের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন-যেখানে মানবাধিকার লঙ্গিত হবে, সেখানেই আইনজীবীদের ইতিবাচক ও স্বোচ্ছার ভূমিকা রাখতে হবে। আইনজীবীরা হচ্ছেন-মানবাধিকার সুরক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। তাদেরকে যেকোন সময়, যোকোন স্থানে লিগ্যাল এইড দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি বলেন-সমাজে আর অন্য কোন পেশাজীবীদের এই সুযোগ নেই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন-মানব পাচার, জঙ্গী তৎপরতাতেও এক ধরনের মানবাধিকার লঙ্গন হয়। তাই এসব বিষয়ে সকলকে আরো বেশী সচতেন হতে হবে। রোহিঙ্গা আগমনের কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। যে কারণে স্থানীয় জনগনের মৌলিক ও মানবিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে। এজন্য ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারকে পরকল্পিত উদ্যোগ নেয়ার জন্য কাজী রিয়াজুল জক সরকারের প্রতি আহবান জানান। নাহয়, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে কক্সবাজারে বিরাট বিপর্যয় হবার আশংকা রয়েছে।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক রোববার ৩ ফেব্রুয়ারি রাত্রে কক্সবাজার শহরের কলাতলী ডলফিন মোড়ে ওয়াল্ড সী রিসোর্টের সম্মেলন কক্ষে জেলার বিচারক ও আইন কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির সুদীর্ঘ বক্তব্যে একথা বলেন। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক আল মাহমুুদ ফয়জুল কবির (জেলা ও দায়রা জজ), কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) এ.এইচ.এম মাহমুদুর রহমান, ২-এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) জেবুন্নাহার আয়শা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, পিপি এডভোকেট মমতাজ আহামদ, জিপি এডভোকেট মোহাম্মদ ইসহাক, অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট আহামদ কবির, এডভোকেট ফরিদুল আলম, এপিপি ফখরুল ইসলাম গুন্ধু প্রমুখ বক্তৃতা করেন। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদুল হাসান, ভারপ্রাপ্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব কুমার বিশ্বাস, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জিয়া উদ্দিন আহামদ (এপিপি) সহ জেলার প্রায় সকল আইন কর্মকর্তা ও বিচারকগণ উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •