ইমাম খাইর, সিবিএনঃ

বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বমানের সী একুরিয়াম রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড পরিদর্শন করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রেজাউল হক।
রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড পরিদর্শনে গেলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নিবার্হী (সিইও) নাজমুল হক ও মহাব্যবস্থাপক কাজী মোহাম্মদ নিজামুল ইসলাম তাকে অভ্যর্থনা জানান।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান রে‌ডি‌য়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড ঘু‌রে দে‌খেন এবং এর কার্যক্রম দে‌খে অ‌ভিভুত হন।
তিনি বলেন, এটি একটি খুবই সাহসী পদক্ষেপ ও সমুদ্র শিক্ষার নতুন সংযোজন। আগামীর প্রজন্মকে সাগরের তলদেশের রহস্য জানতে রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সময় এর সাথে ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক আল মাহমুদ ফয়জুল কবির।

ব্য‌তিক্রমী উ‌দ্যোগের জন্য উ‌দ্যোক্তা মোঃ স‌ফিকুর রহমান চৌধুরী‌কে ধন্যবাদ জানান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান। সেই সাথে তিনি প্রতিষ্ঠানটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সফলতা কামনা করেন।
কক্সবাজার শহরের ঝাউতলায় ভ্রমণ বিনোদনের জন্য বিশ্বমানের নতুন সংযোজনটি করেছেন দেশের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা মোহাম্মদ শফিকুর রহমান চৌধুরী। তিনি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এরই মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী নিজেকে সমুদ্র ও পরিবেশ সম্পর্কিত জ্ঞানে সমৃদ্ধ করতে পারবে।
এদিকে, একুরিয়াম নির্ভুল বাস্তব সম্মত সমুদ্র সম্পর্কিত জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে ‘একুরিয়াম এডভেঞ্চার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সব শিক্ষার্থীর জন্য এই প্যাকেজ উন্মুক্ত।
রেডিয়েন্টের নীচতলা থেকে পায়ে হেঁটে দুতলা-তিনতলা পর্যন্ত দেখেছে সমুদ্রে অদেখা জগতের উপভোগ্য অনেক কিছু।
উপরে মাছ, ডানে মাছ, বামে মাছ। প্রায় দেড়শ প্রজাতির মাছের ভিতর দিয়ে পথ চলতে চলতে দেখা মিলবে হাঙ্গর মাছ। মানুষ খেকো পিরানহা মাছ ধারালো দাঁত খুলে হা করে ছুটছে অবিরত। আকর্ষণ বাড়িয়েছে কুচিয়া, কচ্ছপ, কাঁকড়া, আউসসহ সাগরের তলদেশের নানা কিট পতঙ্গ। সাগরের তলদেশের গাছ পালা, লতা, পাতা, গুল্ম, ফুল সত্যিই মন ভুলিয়ে দেয় দর্শনার্থীদের।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •