ইমাম খাইর, সিবিএন:
সারাদেশের মতো কক্সবাজার জেলায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে সেকেন্ডারী শিক্ষাজীবনের প্রথম একাডেমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা।
জেলায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৪৫ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮৩৭২ জন।
তৎমধ্যে এসএসসির ২৬ কেন্দ্রে ১৯,৬৭৮ জন, দাখিলের ১৩ কেন্দ্রে ৭৮২০ জন এবং ভোকেশনালের ৬ কেন্দ্রে ৮৭৪ জন।
এসএসসিতে প্রথম দিন বাংলা ১মপত্র বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে যাত্রা হবে এসএসসি পরীক্ষা।
দাখিলে অনুষ্ঠিত হবে কোরআন মাজিদ ও তাজবীদ শিক্ষা বিষয়।
এসএসসি:
এসএসসিতে ২৫ কেন্দ্রের কেন্দ্রওয়ারি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হল- কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭৫৮ জন, ঈদগাও আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭০০ জন, কক্সবাজার সরকারি বালিকা কেন্দ্রে ৮৭৯ জন, ঈদগাঁও জাহানারা ইসলাম বালিকা কেন্দ্রে ৪৯৩ জন, কক্সবাজার মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে ৮৩৮ জন,খুরুস্কুল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৭৯ জন, রামু খিজারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৯৭ জন, রামু বালিকা কেন্দ্রে ৫৪২ জন, চকরিয়া সরকারি বালক বিদ্যালয়ে ১৬৩৩ জন, চকরিয়া সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে ১২৯৫ জন, ইলিশিয়া জমিলা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪২০ জন, চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ কেন্দ্রে ২৪০০ জন, কুতুবদিয়া সরকারি বালিকা কেন্দ্রে ৮৫০ জন, ধুরুং আদর্শ উচ্চ বিদ্যায় কেন্দ্রে ২৫৬ জন, মহেশখালী সরকারি বালিকা কেন্দ্রে ৭০৩ জন, কালামারছড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৬২ জন, মাতারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৬৩ জন, মহেশখালী বালিকা কেন্দ্রে ৪৬০ জন, উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮১৮ জন, উখিয়া বালিকা কেন্দ্রে ১১১২ জন, পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫৯৪ জন, টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫১৪ জন, টেকনাফ আলী আছিয়া কেন্দ্রে ৫৩২ জন, এজাহার বালিকা কেন্দ্রে ৪৮৯ জন, পেকুয়া জিএমসি ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে ৫৩৬ জন, পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯৯৪ জন।
দাখিল:
দাখিল পরীক্ষায় জেলায় ১৩ কেন্দ্রে ৭৮২০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। এদের মধ্যে কক্সাবাজার ইসলামিয়া মহিলা কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৫৩১ জন, ঈদগাও আলমাছিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৫৮৬ জন, কক্সবাজার আদর্শ কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৬৮৬ জন, মেরংলোয়া রহমানিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৪৯৭ জন, রামু ফয়জুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ২২৬ জন, চকরিয়া আনোয়ারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১২৩৫ জন, আমজাদিয়া রফিকুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৪৯৭ জন, কুতুবদিয়া বড়ঘোপ ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৪৯১ জন, মহেশখালী পুটিবিলা ইসলামীয়া ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৬১৫ জন, কালামারছড়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৪৫০ জন, রাজাপালং এমইউ ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৫৬২ জন, রঙ্গিখালী দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৫৫৯ জন, পেকুয়া আনোয়ারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৬৫৫ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।
ভোকেশনাল:
ভোকেশনালের ৬ কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৭৪ জন। এরমধ্যে কক্সবাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের পরীক্ষার্থী যাদের কেন্দ্র টেকপাড়া আমেনা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২৭৮ জন, রামু টেক্সটাইল ইনস্টি্িটউট কেন্দ্রে ১৮৭ জন, রামু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৫৩ জন, কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন কেন্দ্রে ১৩৬ জন, উখিয়া নুরুল ইসলাম বিএম স্কুল এন্ড কলেজে ৫৭ জন, মহেশখালী আইল্যান্ড হাইস্কুল কেন্দ্রে ৬৩ জন।
পরীক্ষা নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে প্রশাসন। সকালে পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যথাসময়ে উপস্থিত হতে পারে সে বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের ভূমিকা:
এবার প্রশ্নফাঁসরোধে ২৭ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে কোচিং সেন্টারসমুহ বন্ধ রেখে বাড়তি সর্তকতাসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
কক্সবাজারে গেল ১ সপ্তাহে কোচিং বন্ধে ২ বার অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। অভিযানে ১০টি কোচিং সেন্টার বন্ধ এবং অনেক শিক্ষককে মৌখিকভাবে সতর্ক করে প্রশাসন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান- কক্সবাজারে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে গ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানোর বিষয়ে বেশি সর্তকতা অবলম্বন করেছে প্রশাসন। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে সোস্যাল সাইটগুলোতে।
এবার এসএসসি পরীক্ষার জন্য নতুন একটি কেন্দ্র অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। শহরের অদূরে নতুন কেন্দ্রটি হল খুরুস্কুল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র যেটিতে প্রথমবার পরীক্ষা দিচ্ছে ৬টি বিদ্যালয়ের ৬৭৯ জন পরীক্ষার্থী।
নতুন কেন্দ্র (কক্সবাজার -৬) এ অংশ নেয়া বিদ্যালয়সমুহ হল কক্সবাজার মডেল হাইস্কুল, দক্ষিণ খুরুস্কুল উচ্চ বিদ্যালয়, টেকপাড়া আমেনা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সাগরমনি উচ্চ বিদ্যালয়, পিএমখালী উচ্চ বিদ্যালয় এবং তেতৈয়া আবুল কাশেম চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •