বার্তা পরিবেশক :

একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে (কক্সবাজার) জেলা থেকে সম্ভাব্য এমপি’র তালিকায় এগিয়ে দুই দুই বার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মনোয়ারা বেগম মুন্নী। সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরমও জমা দিয়েছেন ।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি ও পরিচালক অটিজম বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ভয়েস সোসাইটির এবং একাধারে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার জেলা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা ও স্বাধীনতা একাডেমীর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

এছাড়া তিনি গেল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে কক্সবাজারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

মনোয়ারা বেগম মুন্নী এক সাক্ষাতকারে সাংবাদিকদের বলেন- আমি পারিবারিক ভাবেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনীতির আদর্শে বেড়ে উঠেছি, আমার রাজনৈতিক জীবনে ছোটবেলা থেকেই আমাকে প্রভাবিত করেছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, তাকে তো চোখে দেখার সুযোগ পাইনি। ধন্য হয়েছি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখে প্রিয় নেত্রীর মাতৃত্বসুলভ ব্যবহার, দক্ষ নেতৃত্ব দেখে নেত্রীর মানবিকতার সুনাম আজ বিশ্বময়। আমি তার নেতৃত্বে কাজ করার সুযোগ চাই।’

পাশাপাশি তিনি এমপি হয়ে স্থানীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে উদ্যোগ নিতে চান। নারীদের মধ্যে সচেতনাবোধ সৃষ্টি, নারীর প্রতি সহিংসতা দমন ও স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে চান। রাজনীতিকদের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব কমিয়ে এনে কক্সবাজারের আওয়ামী লীগ কে তৃণমূলে শক্তিশালী করতে চান। পাশাপাশি চান নিষ্ঠাবান সৎ নারী সংগঠক হিসেবে নারীদের প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করতে। সুযোগ পেলে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, রোহিঙ্গা সমস্যা, স্বজনপ্রীতি, ভূমিদস্যুতা ও সালিশের নামে অর্থগ্রহণের মতো বিষয়গুলো দূর করতে চান।

মুন্নি আরও বলেন, মুজিব আর্দশের স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে দীর্ঘদিন মানবসেবায় কাজ করেছি। এছাড়াও নানারকম সামাজিক কার্যক্রমে আমি জড়িত। অনেক সংগ্রাম করে নিজেকে আজকে একটি অবস্থানে নিয়ে এসেছি। অভিজ্ঞতায় দেখেছি দেশের বঞ্চিত নারী ও শিশুরা কতো প্রতিবন্ধকতার শিকার হয়। তাদের জন্য অনেক কিছু করার পরিকল্পনা আছে আমার। তার বাস্তবায়নের জন্য আমার সংগঠিত হওয়া প্রয়োজন। সেজন্য সবকিছু ঠিক থাকলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাই আমি। আশা করছি প্রধানমন্ত্রীর আমাকে মূল্যায়ন করবে,

উল্লেখ্য যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইনসভা জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০। যার মধ্যে ৩০০ জন সংসদ সদস্য জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। বাকি ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •