cbn  

সিবিএন ডেস্ক :

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান অধ্যাপিকা এথিন রাখাইন শৈশব থেকেই স্বাধীনতার চেতনা লালনের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন। উচ্চ শিক্ষিত এথিন রাখাইন পরিচ্ছন্ন রাজনীতি, সততা, পরউপকার ও সর্বস্থারের জনগণের অধিকার বাস্তবায়ন’ই মধ্য দিয়ে নিজের জীবন অতিবাহিত করছেন।

তাঁরমত একজন সৎ-যোগ্য নারীকে আবারও এমপি হিসেবে দেখতে চান জেলাবাসি। তাদের আস্তা আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী অধ্যাপিকা এথিন রাখাই’ই এগিয়ে নিয়ে যাবে উন্নয়নের সরকারকে। তাই তাঁকে’ই এমপি হিসেবে দেখতে চায় জেলাবাসি।

খবর নিয়ে জানা যায়, স্কুল জীবনে’ই তাঁর আপন দুই ভাই মুক্তিযোদ্ধা সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা প্রদানের মাধ্যমে এথিন রাখাইন একজন মুক্তিযোদ্ধা হলেও তা তিনি প্রকাশ করেননা। শৈশব থেকে বুকে স্বাধীনতার চেতনা লালন করা এথিন রাখাইন ১৯৮৩ সালের দিকে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত থাকাকালিন সময়ে ছাত্র রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। চাকসু নির্বাচনে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। লেখাপড়া শেষে দীর্ঘ ৭ বছর কক্সবাজার সরকারী মহিলা কলেজে অধ্যাপিকা হিসেবে দায়িত্বরত অবস্থায় ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের হয়ে এমপি নির্বাচিত হন।

তাঁর সততা, পরিচ্ছন্ন রাজনীতি এবং দলের দূঃসময়ের কান্ডারী হিসেবে সফলতা অর্জন করায় ২০০৮ সালে তিনি পুনরায় এমপি নির্বাচিত হন। শুধু তাই নয় তাঁর যোগ্যতার বলে এমপি থাকা কালিন সময়ে পর পর দুই বার প্যানেল স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।

এরই মধ্যে তিনি কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হন। দীর্ঘ ৭ বছর সফলতার সাথে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গন ছাড়াও অধ্যাপিকা এথিন রাখাইনের বিশাল সফলতা রয়েছে শিক্ষা ক্ষেত্রে। একাধারে তিনি কক্সবাজার সিটি কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি, বঙ্গবন্ধু রামু কলেজের পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি, স্বাধীনতার পক্ষের শিক্ষকদের ডিঙ্গী ফাউন্ডেশন উপদেষ্ট, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। এছাড়া তিনি কক্সবাজার সিটি কলেজকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সেরা কলেজে পরিণত করেছেন। বর্তমানে সিটি কলেজ একটি মডেল কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

এছাড়া তিনি পিছিয়ে পড়া নারীদের অধিকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখেন। তিনি কক্সবাজার রাখাইন মহিলা একতা সমিতির উপদেষ্টা ও মা ও শিশু হাসপাতালের দীর্ঘদিন ধরে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

অধ্যাপিকা এথিন রাখাইনের জানান, তিনি নির্বাচিত হলে কক্সবাজাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবীগুলো পূরণ করাই হবে তাঁর মূল উদ্দেশ্য। সব চেয়ে বেশি জোর দেবেন পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষিত করার মাধ্যমে অধিকার বাস্তবায়ন। এছাড়া শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি ঘটাবেন বিপ্লব। তার সর্ব উচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে সিটি কলেজ সহ জেলার প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। যাতে করে কক্সবাজারকে একটি শিক্ষিত মডেল নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।

রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ সর্বস্থরের জনগণের পছন্দের মানুষ অধ্যাপিতা এথিন রাখাইন সবার সহযোগিতার মাধ্যমে কক্সবাজারকে আধুনিক নগরীতে পরিণত করতে চায়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •