cbn  

সংবাদদাতা:

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার বাংলাদেশ পুলিশের মর্যাদাসম্পন্ন  পিপিএম (প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল ) পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছেন। সদর মডেল থানায় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ অবদান রাখায় সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরুপ শ্রেষ্ঠত্বের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে এ জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ২৯ জানুয়ারী মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত দের তালিকা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয় পুলিশ সেবা সপ্তাহ ২০১৯ উপলক্ষে আগামী ৪ ফ্রেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ হেডকোয়ার্টারে জাতীয় পুলিশ প্যারেড ও কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকারসহ পুলিশের রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তদের এই গৌরবময় সম্মাননা প্রদান করতে পারেন।

সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার যোগদানের পর থেকে মাদক, ও অস্ত্র উদ্ধারে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন। সদর মডেল থানার আওতাভুক্ত সকল উপজেলাকে ্সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি সাদন করেছেন। দিন রাত পরিশ্রম করে সদর মডেল থানাকে মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। মাদককে জিরো টলারেন্সে পরিণত করতে তার টিমকে সাথে নিয়ে প্রাত্যহিক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। কক্সবাজার সদর থানায় বিপদগ্রস্ত মানুষ যাতে তার প্রাপ্য সেবা পায় সে ব্যাপারে ওসির রয়েছে সুদৃষ্টি। ফলশ্রুতিতে, সাফল্যের কৃতিত্ব সরুপ প্রেসিডেন্ট অফ পুলিশ মেডেল পদকে ভূষিত হচ্ছেন। তারঁ কাজের সফলতাস্বরুপ কক্সবাজার জেলায় ৩বার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কারসহ বিভিন্ন থানায় শ্রেষ্ঠত্বের পুরষ্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য যে, গত বছরের জানুয়ারিতে তিনি অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। দায়িত্ব পাওয়ার পরথেকে তিনি সদর মডেল থানাকে মাদক সন্ত্রাসমুক্ত করতে এবং অস্ত্র উদ্ধার সহ বিভিন্ন মামলার ১৭৭০ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। রেকর্ড অনুযায়ী গত ১ বছরে ইয়াবা ১১ লক্ষ দশ হাজার চারশো পিস, গাঁজা ৪৭ কেজি ৩০০ গ্রাম, বিদেশী বিয়ার ১২ বোতল, রাম ৪৬ বোতল, চোলাই মদ ১৭৮২ লিটার এবং ফেনসিডিল ৪৬ বোতল উদ্ধাার করতে সক্ষম হন। মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি তিনি আইন শৃংখলা পরিস্থিতিকে রেখেছেন স্বাভাবিক।

উল্লেখ্য যে, চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দীন খন্দকারের জন্ম বাহ্মণবাড়িয়া উপজেলার কসবা থানার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। ১৯৯১ সালে সাব- ইন্সপেক্টও পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছেন। পদোন্নতি পয়ে পুলিশ পরিদর্শক হয়ে বিভিন্ন থানায় সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সর্বশেষ অফিসার ইনচার্জ হয়ে সদর মডেল থানায় যোগদান করে তারঁ সফলতা অক্ষুন্ন রেখেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •