সংবাদদাতা:
চকরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে রোগীর দুর্ভোগ যেন চরমে।  ২৭ জানুয়ারি (রবিবার)  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায় এমন চিত্র। চিকিৎসকের এমন অনুপস্থিতিতে কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চকরিয়া, লামা, পাশ্ববর্তী উপজেলা মহেশখালী থেকে সেবা নিতে আসা রোগীরা। সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালে ডিউটিরত এসিস্ট্যান্ট মেডিকেল অফিসার জরুরি বিভাগে চেম্বার করছেন। কিন্তু মেডিকেল অফিসার দায়িত্বে কে আছেন?  জানতে চাইলে তিনি বলেন,  ডাঃ শোভন দত্ত স্যার আছেন।
জানা যায়, চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাঃ মোহাম্মদ শাহবাজ, (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা), ডাঃ মুজিবুল হক (জুনিয়র কনসালটেন্ট শিশু, চর্ম ও যৌন পদের বিপরীতে), ডাঃ খালেদ হোসেন ( জুনিয়র কনসালটেন্ট, শিশু), ডাঃ মর্তুজা বেগম রানু (জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনী), ডাঃ একরাম হোসেন (জুনিয়র কনসালটেন্ট  কার্ডিওলজী), তারেক শামস (জুনিয়র কনসালটেন্ট, মেডিসিন), শোভন দত্ত (আর,এম,ও), ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ( মেডিকেল অফিসার), ডাঃ তোফাজ্জল (মেডিকেল অফিসার,প্যাথলজি), উম্মে কুলছুম খাদিজা পারভীন (মেডিকেল অফিসার), ডাঃ মহিম উদ্দিন (ডেন্টাল সার্জন) কর্মরত আছেন।  এমনকি বেশিরভাগ ডাক্তারগণ ছুটিতে কিংবা প্রাইভেট চেম্বার নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
বিশেষ করে নজরে আসার মত শিশু রোগীদের করুণ অবস্থা। ডাঃ খালেদ হোসেন চকরিয়া শেভরণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ব্যস্ত থাকেন। বহদ্দারকাটার আবছারের শিশুকন্যা  মাহি কে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, কিন্তু ডাক্তার খালেদ হোসেন কে পাওয়া যায়নি তাই তিনি ডাক্তার দেখাইতে পারেনি। একই অভিযোগ হারবাং এর হতদরিদ্র রহিমা বেগম বলেন, শিশু ডাঃ খালেদ হোসেনের নাম শুনেছি চোখে দেখিনাই। ডাঃ খালেদ হোসেন কোথায় জানতে চাইলে শেভরণে চেম্বার করেন, ঐখানে যেতে পরামর্শ দেন। কিন্তু  টাকার অভাবে যেতে পারছিনা।
হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শোভন দত্ত ছাড়া কোন ডাক্তারের দেখা মেলেনি। লক্ষ্য করা গেছে, বেশিরভাগ ডাক্তারের অনুপস্থিতি। উল্লেখ্যযে, চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন নার্সগণ।  সাধারণ রোগীদের মাঝে সীমাহীন কষ্টে ভোগছেন।
এ ব্যাপারে এম.পি মহোদয়, সিভিল সার্জন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপই একমাত্র সমাধানের পথ।  এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ শাহবাজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংযোগ না যাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •