বিশেষ প্রতিবেদক:

আসন্ন মহেশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের প্রত্যাশীদের মধ্যে যোগ্য প্রার্থী হচ্ছেন মহেশখালী উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক,যুব সমাজের প্রিয়জন, আলহাজ্ব সাজেদুল করিম। যার নেতৃত্বে মহেশখালীতে যুব-জাগরণ হয়েছে। যার সুবাধে বিগত সংসদ নির্বাচনে মহেশখালীর যুবলীগ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে জোরালোভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়েছেন।

প্রাপ্ত তথ্যমতে আলহাজ্ব সাজেদুল করিম একজন ত্যাগী আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। তার পিতা আলহাজ্ব মোস্তাক আহমদ বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। নির্লুভ, নিরহংকার এই যুবনেতা দলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করছেন। তাঁর রক্তে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও আধুনিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রার বাংলাদেশের নির্মাতা জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা। আওয়ামী লীগের ভ্যানগার্ড হিসেবে দলের জন্য অনেক ত্যাগ ও অবদান রেখেছেন আলহাজ্ব সাজেদুল করিম। যার নেতৃত্বে মহেশখালীর যুব সমাজ এখন সু-সংগঠিত।

দলের যেকোনো দুঃসময় এবং প্রয়োজনে তিনি কখনো পিছ-পা হননি। প্রতিনিয়ত নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর রাখেন তিনি। সবসময় দল এবং দলের কর্মীদের জন্য নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন। ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে শুরু করে বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পদের আসনে রয়েছেন। তিনি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছেন৷

শুধু তাই নয়, পিতা মুজিবের আদর্শে ছাত্র রাজনীতি দিয়ে তার রাজনীতিতে পথচলা। মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে তিনি রাজনীতির জগতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দলের দুর্দিনে রাজপথে থেকে পিতা মুজিবের আদর্শ থেকে এক পাও বিচ্যুত না হয়ে জীবনের সর্বোচ্চ ঝুকি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে রাজপথে দৃঢ় প্রত্যয়ে ছিলেন। মহেশখালী জামায়াত -শিবির অধ্যুষিত হওয়ায় জীবনের ঝুকি নিয়ে রাজনীতি করে মানুষের সুখে-দুঃখে,বিপদে-আপদে পাশে থেকে আজ মহেশখালীকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘাঁটিতে পরিণত করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন এবং এখনও আছেন। শিক্ষা জীবনে এমবিএ শেষ করে পিতার সম্পদ ও ব্যবসা দেখা শুনার পাশাপাশি পিতার দেখানো পথে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে মহেশখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর আহবায়ক কমিটির সদস্য, মহেশখালী উপজেলা যুবলীগ এর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য, জেলা যুবলীগের সদস্য (খোরশেদ আলম -রনজিত দাশ কমিটি), জেলা যুবলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক (খোরশেদ আলম-মাহাবুব কমিটি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ ত্যাগ তিতিক্ষার পর মহেশখালী উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান। ২০১৭ সালের ১৪ এপ্রিল উপজেলা যুবলীগের আহবায়কের দায়িত্ব নেওয়ার পর আহবায়ক আলহাজ্ব সাজেদুল করিমের নেতৃত্বে মহেশখালী উপজেলায় সৃষ্টি হয়েছে যুব জাগরন, মহেশখালীর প্রতিটি পরিবারে সৃষ্টি হয়েছে যুবলীগের কর্মী। মহেশখালী উপজেলার ০৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা সহ ৮১টি ওয়ার্ডে গঠিত হয়েছে ৬১সদস্য বিশিষ্ট ওয়ার্ড কমিটি৷ গঠিত হয়েছে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে শক্তিশালী ইউনিয়ন কমিটি। মহেশখালীতে যুব সমাজের মাঝে সৃষ্টি করেছেন ইতিবাচক ও স্বচ্ছ রাজনীতির নব এক ধারা। যুব সমাজ আজ যুবলীগের রাজনীতির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে। স্বচ্ছ যুবরাজনীতি ও মহেশখালী উপজেলার যুব জাগরনের পিছনের কারিগর আহবায়ক অলহাজ্ব সাজেদুল করিম। মহেশখালীর যুব সমাজ, তরুন সমাজ ও আমজনতার কাছে যিনি সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত৷

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহেশখালী উপজেলা যুবলীগের ভুমিকা ছিল শক্তিশালী ও প্রশংসনীয়। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের জন্য কেন্দ্র কমিটি গঠন, কেন্দ্র ভিত্তিক প্রাচরনা কমিটি গঠন ও ওয়ার্কিং কমিটি গঠন এবং সফল কার্যক্রমের পিছনে ছিলেন যুবলীগের আহবায়ক আলহাজ্ব সাজেদুল করিম। দীর্ঘ এই রাজনৈতিক জীবন আর সামাজিক জীবনের পথচলায় নিজেকে সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত রাখতে আসন্ন মহেশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং তিনি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •