চোরের প্রকারভেদ

প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারী, ২০১৯ ১২:২৩ , আপডেট: ২৭ জানুয়ারী, ২০১৯ ১২:২৩

পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে


সাইফুল ইসলামঃ
সমাজে দুই ধরনের চোর বিদ্যমান। এক হলো পেটের দায়ে চোর। যাদেরকে আমরা ও সমাজের বিত্তশালীরা বানিয়েছি। আরেক হলো স্বভাবগত বা জাত চোর। যার জন্য সে নিজে ও তার পারিবারিক অভ্যাসই দায়ী।
পেটের দায়ে চোরঃ
আমাদের সমাজে এমন কিছু অভাবী ও হতদরিদ্র মানুষ আছে যারা তাদের পরিবারের তিন বেলা আহার তো দূরের কথা দু’বেলা আহারের ব্যবস্হা করতে না পেরে অনিচ্ছা সত্ত্বেও লোক লজ্জা ত্যাগ করে পরিবারের জন্য চুরি নামক জিনিসটি করে বসে। আর এর জন্য তারা কখনো জাত চোর বা পেশাদার চোর হতে পারেনা। তাদের এমন কর্মের জন্য তারা কখনো দায়ীর পর্যায়ে পড়ে না। এর জন্য সমাজের বিত্তশালী মানুষের বিমাতাসুলভ আচরণই অনেকাংশে দায়ী। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন মজিদে সমাজের অসহায়, দরিদ্র মানুষের সাথে বিত্ত ও সমাজপতিদের এহেন অাচরণ না করার জন্য স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন। কারণ সমাজে ধনী ও বিত্তশালীদের আয়ের মধ্যেও অসহায় মানুষের হক রয়েছে। যদি সমাজপতি ও কোটিপতিরা নিয়মিত যাকাত আদায় করতো তাহলে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষরা কখনো চুরি বা অন্য ঘৃণিত পেশায় নিজেদের জড়িত করতো না।
জাত চোরঃ এরা কিন্ত বংশ পরম্পরায় চুরি পেশায় জড়িত। এই ধরনের চোরেরা কর্ম করে চলতে অলস তবে চুরিতে বেশ সরস। এরা যুগ যুগ ধরে সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে ঘৃণিত। তবে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এই ধরনের কর্ম থেকে নিবৃত্ত করে কর্মসংস্হান ও অন্যান্য পেশায় তাদের সংযুক্ত করে দিতে পারলে সমাজ ও রাষ্ট্র অনেকাংশে দায় এড়াতে পারে।
লেখক -মাস্টার সাইফুল ইসলাম।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •