পেকুয়া সংবাদদাতা:

পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় একই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিমসহ ৭ জন আসামীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক তাদের জামিন না মন্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওয়াসিম ছাড়া অন্যরা হলেন যথাক্রমে মো.সাজিব, জয়নাল আবেদিন, সাহাব উদ্দিন, মাঈন উদ্দিন, আমান উল্লাহ ও সাকের উল্লাহ।

মামলার বাদি সরওয়ার কামাল জানান, ২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তার ভাই মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামিলীগ নেতা ইউনুছ চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা করেন ওয়াসিম বাহিনী। একই সাথে তার বসতবাড়িও জ¦ালিয়ে দেন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ঘটনার মুল হোতা ও বাহিনী প্রধান ওয়াসিমসহ ৭ জনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই ওয়াসিম বাহিনীর হাতে মগনামার ৩০ হাজার মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। ওয়াসিম সাবেক শিবির ক্যাডার থেকে হয়েছেন বিএনপি নেতা। আর বিএনপি’র মনোনয়ন নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় আওয়ামীলীগকে ঠেকিয়ে হয়েছেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এর পর থেকেই পুরো মগনামায় রাম রাজত্ব চালাচ্ছে ওয়াসিম বাহিনী। শুধু একটি নয়, একাধিক বাহিনী গঠন করে অস্ত্র ব্যবসা, লবণ মাঠ দখল, মাছের ঘের দখল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজী, জিম্মি করে জমি কেনা-বেচা, ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের মাধ্যমে মগনামাকে অপরাধের অভয়ারণ্য হিসেবে তৈরী করেন তিনি। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদেও চরম স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি চালিয়ে আসছে। যার কারণে মামলাও হয়েছে। এ পর্যন্ত ওয়াসিম বাহিনীর বিরুদ্ধে ২০টিরও বেশি মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। তার বাহিনীর হাতে সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা। তার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থানীয় আওয়ামীলীগের ৫১ জন তৃণমূলের নেতা লিখিতভাবে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। আর এসব থেকে রক্ষা পেতে ওয়াসিম সম্প্রতি আওয়ামীলীগেও যোগদানের নাটক করেছেন।

পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরীর বসতবাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় একই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিমসহ ৭ জন আসামীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক তাদের জামিন না মন্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ওয়াসিম ছাড়া অন্যরা হলেন যথাক্রমে মো.সাজিব, জয়নাল আবেদিন, সাহাব উদ্দিন, মাঈন উদ্দিন, আমান উল্লাহ ও সাকের উল্লাহ।
মামলার বাদি সরওয়ার কামাল জানান, ২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তার ভাই মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামিলীগ নেতা ইউনুছ চৌধুরীকে হত্যার চেষ্টা করেন ওয়াসিম বাহিনী। একই সাথে তার বসতবাড়িও জ¦ালিয়ে দেন। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ঘটনার মুল হোতা ও বাহিনী প্রধান ওয়াসিমসহ ৭ জনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই ওয়াসিম বাহিনীর হাতে মগনামার ৩০ হাজার মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছে। ওয়াসিম সাবেক শিবির ক্যাডার থেকে হয়েছেন বিএনপি নেতা। আর বিএনপি’র মনোনয়ন নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় আওয়ামীলীগকে ঠেকিয়ে হয়েছেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। এর পর থেকেই পুরো মগনামায় রাম রাজত্ব চালাচ্ছে ওয়াসিম বাহিনী। শুধু একটি নয়, একাধিক বাহিনী গঠন করে অস্ত্র ব্যবসা, লবণ মাঠ দখল, মাছের ঘের দখল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজী, জিম্মি করে জমি কেনা-বেচা, ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের মাধ্যমে মগনামাকে অপরাধের অভয়ারণ্য হিসেবে তৈরী করেন তিনি। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদেও চরম স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি চালিয়ে আসছে। যার কারণে মামলাও হয়েছে। এ পর্যন্ত ওয়াসিম বাহিনীর বিরুদ্ধে ২০টিরও বেশি মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। তার বাহিনীর হাতে সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা। তার বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থানীয় আওয়ামীলীগের ৫১ জন তৃণমূলের নেতা লিখিতভাবে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। আর এসব থেকে রক্ষা পেতে ওয়াসিম সম্প্রতি আওয়ামীলীগেও যোগদানের নাটক করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •