কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের দু’বারের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিককে মন্ত্রী করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলাচিঠি লিখেছেন মহেশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ তো মোঃ শিহাব উদ্দীন। নিচে তার চিঠিটি হুবুহু তুলে ধরা হলো।
প্রিয় নেত্রী,
আন্তরিক শ্রদ্ধার্পিত শুভেচ্ছা নিবেন।আপনার সততা ও দক্ষতার রাজনৈতিক নেতৃত্বগুণে বাংলাদেশ আজ স্বপ্নবোনা দৃষ্টির বাস্তবায়িত রূপ বিশ্বমঞ্চে দৃশ্যায়িত করেছে।খ্যাতি পেয়েছে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে।আপনার সেই স্ব ও সুদক্ষ হাতে গড়া হাজারো কর্মীর একজন ত্যাগী,সৎ,নিষ্ঠাবান কর্মী,মহেশখালী-কুতুবদিয়ার গণ-মানুষের নেতা হিসেবে খ্যাত আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি।
গভীর দুঃখ ভরা মন নিয়ে জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর আওতাধীন (২০০৯-২০১৪) এর শাসনামলে কক্সবাজার-০২ আসনে বিএনপি-জামায়াত জোটের এমপি ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী নেতা জনাব হামিদুর রহমান আযাদ।সরকার কতৃক বরাদ্দ পাওয়ার পরও অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষাখাত-মোদ্দাকথায় মৌলিক চাহিদার একটিও স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে পূরণ করেনি।সন্ত্রাসদে দাপটে মানুষের নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটা আরেকটি বিপরীত তূর্য ছিল আযাদের আওতাধীন।যার কুফল এলাকাবাসীসহ সরকারের উপর জনতার বিষরুপ প্রতিফলিত হয়েছিল।এমনকি মানুষের মনে আওয়ামী চেতনায় বিষদাত ফুটিয়েছিল সেই মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জামায়াত সাংসদ।কিন্তু এর মাঝেও এলাকার মহল্লায় মহল্লায় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সঙ্গঠনের সিনিয়র ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সরকারের উন্নয়ন ও দৃশ্যমান আলোকিত বাংলার চিত্র তুলে ধরে সাধারন জনতাকে আওয়ামী তথা সরকারমুখী করতে দিন-রাত মাঠে কাজ করে গেছেন আপনার আস্থা ও বিশ্বাসের শেষ ঠিকানা আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি।যার সুবাদে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার ভালবাসার মূর্ত হয়ে আবির্ভাব ঘটে আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি মহোদয়ের।আর শুরু থেকেই তিনি জনমনের ভালবাসায় সিক্ত হন উনার সততা, নিরহংকার, মানবদরদী, নিষ্ঠাবান, দলীয় নেতাদের সাথে সু-সম্পর্ক, মহানুভবতা,
উন্নয়ন, বাস্তবায়নসহ সর্বোপরি মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণে একনিষ্ঠতা দেখে মানুষ তাঁর ভালবাসা ও আন্তরিকতায় অভিভূত হয়ে পড়েন।
মাননীয় জননেত্রী,
আশেক উল্লাহ রফিকের হাত ধরেই মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় উন্নয়নের বর্ষা শুরু হয়। রাস্তাঘাট, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দির, গির্জা,লবণের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ,বায়ুগ্যাস প্রকল্প,কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন,সন্ত্রাসমুক্ত মহেশখালী-কুতুবদিয়া বিনির্মাণ, বৈষম্যরোধ সহ আরো অনেক কিছুই তাঁর সততা ও বিচক্ষণতায় প্রতিপাদ্য।বাকি ইতিহাসটা আপনি অবিহিত প্রিয় মমতাময়ী নেত্রী।মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মহেশখালী উপজেলার মাতার বাড়িতেই বাস্বায়নাধীন আছে দুটি বড় প্রকল্প।আপনার আস্থার মূল্য দিতে হাজারো গ্রুপিং ও ষড়যন্ত্রের মধ্যেও তিনি জনগণের স্বইচ্ছায় তাদের কাছ থেকে জমির অধিগ্রহণে সফলতা এনে দেন।উন্নয়ন ও মমতাময়ী নেত্রীর হাতে মানুষ তাদের জীবন ও জীবিকার সর্বশেষ সম্বলটুকুও স্ব-চিত্তে তুলে দেন।জনগণের প্রতি আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতি সফল ও সঠিকভাবে রক্ষিত করতে কোম্পানিগত জমির মৌজা রেট ও ভ্রষ্টাচারী বিরোধী নেতা-কর্মীর কতৃক হাজারো বাঁধার সম্মুখীন হলেও পিছপা হননি সাহসী ও বিচক্ষণ এই তরুণ সাংসদ।যদিও অধিগ্রণকৃত জমির মালিকদের অনেকেই তাদের পুরো টাকা পায়নি কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে আংশিক টাকা পেলেও জনগণ তাদের আস্থা রেখেছেন শুধুমাত্র তাদের মমতাময়ী নেত্রী(শেখ হাসিনা) এবং তাদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি মহোদয়ের উপর।যদিও এখনও এলাকার মানুষ সঠিকভাবে তাদের কর্মসংস্থান খোঁজে পায়নি শুধুমাত্র ভ্রষ্টাচারী বিরোধী দল ও দলীয় কিছু বৈষম্যের কারণে যা অতীতে এই আসনে মরণব্যাধী রোগের মতই ছিল।কিন্তু আপনার স্ব-হাতে গড়া সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি মহোদয়ের আবির্ভাবে এসব ষড়যন্ত্র ধমিত হচ্ছে নিত্য।যার সুফল ২০১৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার মনোনীত প্রার্থীর বিশাল ব্যবধানে জয়।আর এই সুফল ও এলাকার মানুষদের সুন্দর ভবিষ্যত গড়ে তুলতে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি মহোদয়ের মত সৎ, নিরহংকার, নিষ্ঠাবান ও জনপ্রিয় নেতা দ্বিতীয়জন নেই এবং আসবেওনা।
প্রিয় মমতাময়ী নেত্রী,
আপনার কাছে সুহৃদ আরজি এই যে,এলাকার মানুষদের স্বার্থে,উন্নয়নের স্বার্থে,মানুষের জীবন ও জীবিকার স্বার্থে-মানবতার নেতা আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি মহোদয়কে মন্ত্রীত্ব প্রদান করে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার অসম্পাদিত কাজগুলো নিপুণ ও দূর্নীতিমুক্ত এবং মানুষ ও সেবামূলক ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশীদারি করে মহেশখালী-কুতুবদিয়া বাসীকে চির বাধিত করবেন।
নিবেদক
মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সর্বস্তরের জনসাধারণের পক্ষে-
মোঃশিহাব উদ্দিন
ছাত্রলীগ নেতা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মহেশখালী উপজেলা শাখা।
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •