মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া:
চকরিয়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় জুয়ার আসর বৃদ্ধি পেয়ে জমজমাট রূপ ধারণ করছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে উপজেলার খুটাখালী, ডুলাহাজারা, পৌরসভার তরছঘাট, কসাইপাড়া, মাইজঘোনা, সাহারবিল, ভেওলা মানিকচর, বেতুয়াবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় খুঁটি স্থাপন করেছে জুয়াড়িরা। সচেতন মহলের অভিমত এসব অপকর্মকে লালন করছে কথিত প্রভাবশালীরা। বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত এসব জুয়ার আসরে জড়িয়ে পড়ছে উঠতি বয়সের কিশোর-যুবকসহ শিক্ষার্থীরাও। অপরদিকে জুয়ার টাকা ভাগ ভাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা যুবলীগ নেতা সৈয়দ মঈনুদ্দিন হাসান জানান, গত রোববার পৌরসভার তরছঘাট-ভেওলা এলাকায় জুয়াড়ি ও গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ইসমাইলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনে আনেন। এ সময় এক জুয়াড়িকে পুলিশ আটক করলেও তাৎক্ষনিক শাস্তি দিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলারের মৌখিক জিম্মায় ছেড়ে দেন। পরে ৩০-৩৫ জন জুয়াড়ি দা-কিরিছ নিয়ে পুনরায় গ্রামবাসীদের ধাওয়া করার চেষ্টা করে। খবর নিয়ে জানা গেছে, ইতিপূর্বে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ধাওয়ায় মারা যায় পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কসাইপাড়া গ্রামের এক জুয়াড়ি। এর ক্লেস না কাটতেই ফের জমজমাট হয়ে উঠছে জুয়ার আসরগুলো। দিনদিন বেপরোয়া হচ্ছে খুটাখালী বাজার এলাকা, খুটাখালীর নতুন পাড়া, পৌরসভার তরছঘাট-পূর্ববড়ভেওলা কাঠের সেতু এলাকা, শাহারবিল ইউনিয়নের পূর্বপাড়া, বাটাখালী ব্রীজ এলাকার জুয়ার আসরগুলো। এদিকে মাসোহারা ভিত্তিতে আসরগুলো চলছে বলে জানায় জুয়ার আসর পরিচালকরা। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানায়, তরছঘাট এলাকায় সংঘর্ষ হয়েছে বা হতাহত হয়েছে এমন কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। তবে কোথাও জুয়ার আসর চলে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •