কামাল শিশির, রামু:
রামুর ঈদগড়ের বিভিন্ন এলাকায় উঁচু নিচু জমিতে রবি মৌসুমে শীতকালীন শাক সবজি ও বিভিন্ন জাতীয় ফসল ব্যাপক হারে উৎপন্ন হয়েছে। তাই বাজারে আসছে প্রচুর তরি-তরকারি। ক্ষুদ্র চাষীদের কাছ থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার পাইকারি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জাতের সবজি ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে।
জানা যায়, হাসনাকাটা, বড়বিল, বউঘাটা,উপরেরখীল,মগঘাট,চরপাড়া,করলিয়ামুরা এলাকায় সবচেয়ে বেশি শাকসবজির চাষাবাদ হয়ে থাকে। অন্য ফসলের চেয়ে সবজি চাষের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে কৃষকরা।
সবজির মধ্যে আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, শসা, বেগুন, টমেটো, শিম, ইত্যাদি হাট বাজারে বেশি বিক্রি হচ্ছে।কৃষক মো : কালু জানান, টমেটোর এখানেও প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে। প্রতি কেজি ৪০ টাকা হারে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৩৫ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৩০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর কৃষকরা সফলতা পেয়েছে।
ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান,এলাকায় পাহাড়ি চড়ার পানি ব্যবহার করে ব্যাপক লাভবান হচ্ছে কৃষকরা।
বিভিন্ন জাতের শাকসবজি উৎপন্ন করে বাজারে বিক্রি করছে। প্রতিটি কৃষক পরিবার বার মাস সবজি চাষাবাদ করে সংসারের ভরণ পোষণ চালিয়ে যাচ্ছে।
কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, ঈদগড়ে প্রচুর পরিমাণ সবজি চাষাবাদ হয়ে থাকে। কৃষকরা আগাম চাষ করে ব্যাপক সবজি উৎপাদন করে। রবি মৌসুমে আলুসহ ধনিয়া, মরিচ, পিয়াজ, রসুন, আদা হলুদ জমিতে চাষাবাদ হয়। কৃষকরা চাহিদা অনুযায়ী বাজারে দামও পাচ্ছে।
একই চিত্র রামু উপজেলার প্রতিটি বাজারে। বতমানে রামু উপজেলার প্রায় গ্রামে সব গ্রামেই সবজির চাষ হচ্ছে। কৃষকেরা মহা খুশি। এছাড়া বাজারেও সবজির প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •