এম আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও
শিক্ষা-শান্তি ও প্রগতির হাতে গড়া ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা কমিটি বিলুপ্তির ছয় মাস পার হলেও কবে হবে নতুন কমিটি? এমন প্রশ্নে ঘোরপাক খাচ্ছে তৃনমুলের কর্মীদের মাঝে।
মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মতে,দলের দু:সময়ে রাজপথে অবস্থানে থাকা পরিক্ষিত এবং ত্যাগী নেতাদের মুল্যায়ন করলে আগামী দিনে ছাত্র লীগের অবস্থান হবে শক্তিশালী। উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে নিজেদেরকে স্থান করে নিতে জেলা পর্যায়ের সিনিয়র নেতাদের কাছে ধর্ণা দিয়ে যাচ্ছে অনেকে। দীর্ঘ সময় ধরে মাঠে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে লড়াই করে যাওয়া পদপ্রত্যাশী ছাত্রনেতারা জেলা সদরে অবস্থান করে চলছে। লক্ষ্য একটাই নতুন নেত্বত্বে হাল ধরা। উপজেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে নতুন নেতৃত্বে কারা আসছে এমন প্রশ্নে ঘোরপাক খাচ্ছে মাঠে ময়দানে চষে বেড়ানো ছাত্রনেতাদের মধ্যে। কারা আসছে,রাজপথ দখলে রাখতে পারবেও চাঙ্গা থাকবে মাঠ। সব কিছুর চুল চেড়া বিশ্লেষন চলছে বলেও সূত্রে প্রকাশ। দীর্ঘকাল ধরে কমিটি না হওয়ায় নেতা কর্মীরা অনেকটা সক্রিয়তার পরিবর্তে ঝিমিয়ে পড়েছে। এ নিয়ে কঠিন সমিকরনে তৃনমুলের ছাত্রনেতারা।

এলাকার সচেতন রাজনৈতিকবোদ্বাদের মতে- সৎ,যোগ্য,নম্র,ভদ্র ও ছাত্রলীগের দু:সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে লড়াই করে ঠিকে থাকা নেতাদের হাতে কমিটি দেওয়া হোক।

তৎকালীন উত্তর থানা ছাত্রলীগের আহবায়ক জানান,যারা মাঠে ময়দানে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে,দলের জন্য ত্যাগী তাদেরকে মুল্যায়ন করলে ভাল হয়।

সাবেক এক ছাত্র ও যুবনেতা জানান,মেধাবী শিক্ষিত,ভদ্র এবং যাদের জনসমর্থন আছে এমন দুইজনকে কমিটি দেওয়া হোক। কোন কালে অপরাধীরা যেন কমিটিতে আসার সুযোগ না পায়।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক বর্তমান যুবলীগ সাধারন সম্পাদক এ প্রতিবেদক কে জানান,যারা ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের জন্য নিবেদিত প্রান হয়ে রাজপথে অবস্থান করেছে বা ওর্যাড়,ইউনিয়ন এবং স্কুল-কলেজ রাজনীতির মাধ্যমে উঠে এসেছে তাদেরকে মুল্যায়ন করলে সংগঠন উপকৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জেলা ছাত্রলীগ সাবেক সাধারন সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান জানান, যারা গেল জাতীয় সংসদ নিবাচর্নে বলিষ্ট ভূমিকা পালন করছে এবং ত্যাগী মেধাবী,শিক্ষিত ও জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে গ্রামাঞ্চল লোকজনের মাঝে জনসমর্থন আদায় করতে পারবে তাদেরকে মুল্যায়ন করলে ভাল হয়।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদকের মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এবার উপজেলা সভাপতি,সাধারন সম্পাদক পদে লবিং চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্রনেতা আবুহেনা বিশাদ,ইরফানুল করিম,তানজিদ ওয়াহিদ লোটাস। নতুন মুখ আসারও সম্ভবনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত – ২০১৬ সালে জুলাইয়ের ২৯ তারিখ ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেন জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদ জয়,তৎকালীন সাধারন সম্পাদক ইমরুল হাসান রাশেদ।
গত ৩১ জুলাই জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সাক্ষরিত ছাত্রলীগ জেলা শাখার সিন্দান্ত মোতাবেক মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শাখার কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
প্রাপ্ত তথ্য মতে,উপজেলা পর্যায়ে প্রথম দফে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আহমদ করিম সিকদার উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি, সদর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক রাজিবুল হক চৌধুরী রিকো উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক, দ্বিতীয় দফে উপজেলা সভাপতি নওশাদ মাহমুদ, সাধারন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন,
তৃতীয় দফে শেফায়েত হোসেন সাগর উপজেলা সভাপতি আবুহেনা বিশাদ সাধারন সম্পাদক। পরে সেফায়েত সরকারী চাকরীতে অন্তভূক্ত হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে রাশেদ উদ্দিন রাশেলকে মনোনীত করা হয়। চতূর্থ দফে নতুন নেতৃত্বে কারা আসছে,ছাত্রলীগের সাবেক এবং বর্তমান নেতাদের মাঝে চলছে কানাঘুষা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •