ডেস্ক নিউজ:
সরকার অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বিনিয়োগের জন্য ইউরোপের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করতে চায়। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য কৌশলগত সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪-২৫ এপ্রিল এবং বাংলাদেশ-ইইউ কূটনৈতিক আলোচনা আগামী মার্চের মধ্যে করার চেষ্টা করছে সরকার। এছাড়া সুইডেন, ডেনমার্ক, জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের আলোচনা দ্রুত করার জন্য তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইউরোপ আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমরা ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সব সময় ভালো সম্পর্ক রাখি। আমরা বর্তমান নীতি অব্যাহত রাখবো এবং আরও কিছু করার চেষ্টা করবো সম্পর্কোন্নয়নের জন্য।’

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আমাদের আলোচনা হবে।’ এ বিষয় নিয়ে পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত এলিসন ব্লেকের বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) আলোচনা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশে নতুন সরকার আগামী সপ্তাহের মধ্যে গঠিত হয়ে যাবে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য তার ব্রেক্সিট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এই প্রেক্ষাপটে এপ্রিলের সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আগামী পাঁচ বছরের সম্পর্ক কী ধরনের হবে সেটি এই বৈঠকে নির্ধারিত হবে।’

ইইউ-বাংলাদেশ আলোচনা

ঢাকায় গত জুলাই মাসে বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউয়ের ব্রেক্সিট, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কৌশল এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

নাম প্রসঙ্গে অনিচ্ছুক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘ঢাকা আগে স্বল্পোন্নত দেশ ছিল কিন্তু গত বছর আমরা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছি। এর ফলে ইইউয়ের বাজারে আমরা যে সুবিধা পেয়ে থাকি সেটি অব্যাহত রাখতে সে বিষয়ে আমাদের এখন থেকে আলোচনা করতে হবে।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •