ডেস্ক নিউজ:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রাপ্ত আসন সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। কমিশন সচিবালয় থেকে দলটি ২০টি আসন পেয়েছে বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে ২২টি আসন পেয়েছে বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। অবশ্য আসনের সংখ্যা নিয়ে এখনও কমিশন ও জাতীয় পার্টি নিজেরাই বিভ্রান্তিতে রয়েছে। কোন দল কতটি আসন পেয়েছে, গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের পর গভীর রাতে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ তা ঘোষণা দেন।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘২৯৮ আসনের মধ্যে নৌকা প্রতীক ২৫৯ এবং লাঙ্গল প্রতীক ২০টি আসন পেয়েছে।’

ফল ঘোষণার সময় জাতীয় পার্টির (জেপি) পাওয়া একটি আসন নিয়ে প্রথমে ভুল তথ্য দেওয়া হলেও ইসি সচিব পরে সেটি সংশোধন করেন।

ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির পাওয়া দুটি আসন নির্বাচন কমিশন অভ্যন্তরীণ ডাটাবেজে আওয়ামী লীগের আসন বলে দেখিয়েছে। এই দুইটি আসন হলো ঢাকা-৬ ও ময়মনসংহ-৮। যার কারণে বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুটি আসন বেশি ও জাতীয় পার্টির দুটি আসন কম দেখানো হয়। প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগ পেয়েছে ২৫৭টি আর জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২২টি আসন।

জানতে চাইলে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বর রাতে আপনাদের (সাংবাদিক) অনুরোধে তাড়াহুড়ো করে আমরা দলভিত্তিক ফল ঘোষণা করেছিলাম। এতে কিছুটা ভুলভ্রান্তি থাকতেও পারে। এছাড়া গত দুই দিন নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশে ব্যস্ত থাকার কারণে এটি যাছাই করারও সুযোগ হয়নি। আর আইন অনুযায়ী গেজেট আসনভিত্তিক করতে হয় বিধায় দলভিত্তিক এটি হেরফের হয়েছে কিনা, তা নজরে আসেনি। আমরা এটি যাছাই করে দেখবো।’

প্রাপ্ত আসনের বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও নবনির্বাচিত এমপি গোলাম কাদের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরাও বিভ্রান্তিতে আছি। একবার শুনেছি ২০টি, আরেকবার শুনেছি ২২টি পেয়েছি। সাংগঠনিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে যাছাই করে দেখার সুযোগ হয়নি।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •