cbn  

মহেশখালী প্রতিনিধি:
মহেশখালীতে গ্রামবাসী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে গ্রামবাসী ও ছাত্রলীগের ১৫ নেতকর্মী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের হরিয়ারছড়ায় এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত সাত ছাত্রলীগ কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও বিজিবির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। নারী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই ঘটনা বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে।
আহতরা হলেন- হোয়ানকের বানিয়াকাটা গ্রামের মিজান (২৫) সজিব (২২) মোহাব্বত আলী (২৩) সাকলাইন ইসলাম নিরু (২১) এমরান (২৩), আরিফ (২৫) ও হরিয়ার ছড়ার বাসিন্দা শ্রমিকলীগ নেতা আক্কাস বাঙ্গালী (৩৫), মৃত আবু শামার স্ত্রী শামসুন্নাহার (৫০) ও তার মেয়ে স্কুলছাত্রী মিহিন (১৩)। বাকিদের তাৎক্ষনিক নাম জানা যায়নি।

এলাকাবাসীর সুত্রে জানা গেছে, নারী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে হোয়ানক ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা বানিয়াকাটার বাসিন্দা সাকলাইন ইসলাম নিরুর সাথে হরিয়ার ছড়া গ্রামের মৃত আবুল শামার পুত্র আবুল কাশেমের বিবাদ হয়। এই নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাক-বিতন্ডাও হয়। এর জের ধরে বানিয়াকাটা থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ প্রায় ৪০/৫০জন যুবক আবুল কাসেমকে তুলে আনতে হরিয়ারছড়ায় যায়। খবর পেয়ে তাদের প্রতিরোধ করতে এগিয়ে আসে গ্রামবাসী। এতে গ্রামবাসীর মারধরে ১২জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আহত হয়। এতে আবুল কাসেমের মা শামসুন্নাহার ও বোন স্কুলছাত্রী মিহিনসহ তিন গ্রামবাসীও আহত হয়েছে।
খবর পেয়ে হোয়ানক ক্যাম্পের পুলিশ ও অস্থায়ী ক্যাম্পের বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে সাত জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। তাদেরকে তাৎক্ষণিক মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, ‘কি কারণে ঘটনা হয়েছে জানি না। এখন পর্যন্ত (রাত সাড়ে ১১টা) কেউ অভিযোগও দেয়নি। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •