cbn  

শাহিদ মোস্তফা শাহিদ, সদর :

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে নিজ গ্রামে এসেছিল তারা।টানা ৪ দিন কর্মব্যস্ততা কাটিয়ে ফিরছে কর্মস্থল ও শিক্ষাঙ্গনে। গত ২৮ ডিসেম্বর যে যার মতে করে চলে আসছিল বাড়িতে। লক্ষ একটাই পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে ফিরে যাবে কর্মস্থলে।৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ চললেও পরদিন আতংকে ছিল।যার ফলে ফিরতে অনীহা প্রকাশ করছিল অনেকেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় আজ বছরের প্রথম দিন নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যাচ্ছে দেশের প্রত্যক্ষটি অঞ্চলে কর্মরত চাকুরীজীবি,শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন। এদিকে সরেজমিন দেখা গেছে সকাল থেকে ঈদগাঁও বাস স্টেশনস্থ দূর পাল্লার বাস কাউন্টার গুলোতে যাত্রীদের ভীড় চোখে পড়ার মত।সৌদিয়া কোচ সার্ভিস পরিবহনের কাউন্টার ইনচার্জ বশির আহমদ মেম্বার জানান,সকাল থেকে ৫ শতাধিক মত টিকেট বিক্রি হয়েছে। এখনো যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ করা যাচ্ছে। অনুরূপ শ্যামলী, হানিফ,সোহাগ,এস আলম,পরিবহনসহ বিভিন্ন বাসের কাউন্টারে যাত্রীদের ভীড় দেখা গেছে। আবার অনেকেই কক্সবাজার শহর থেকে গ্রীন লাইন,সেন্টমার্টিন পরিবহন,দেশ ট্রাভেলস, বিআরটিসি বাস,বিমান বাংলাদেশ নিয়েও স্ব স্ব কর্মস্থলে চলে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। চট্রগ্রাম কাস্টমসে কর্মরত ঈদগাঁওয়ের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন,জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে ছুটি কাটিয়ে আবারো ফিরে যাচ্ছি কর্মময় জীবনে।তিনি আরো বলেন অত্যন্ত সুন্দর একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় অতীতের মত এখন হরতাল অবরোধ না থাকায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধে ফিরতে পারব।চট্টগ্রামে পড়ুয়া শিক্ষার্থী আনিসুল ইসলাম জানান,অতীতে নির্বাচনের পর দেশে হরতাল-অবরোধ থাকত।এখন সেই প্রথা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। জনসাধারণের মাঝে একটা আতংক বিরাজ করত, আইনশৃংখলা বাহিনী সজাগ থাকায় সড়কে এখনো কোন নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়নি।তাই নিরাপদে চট্টগ্রাম ফিরতে পারব বলে আশা করছি।তবে অনেক যাত্রী দাবী করছে এ সুযোগে বাস কাউন্টার গুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। বাস চালক জাবেদ আহমদ বলেন,সড়ক নিরাপদ রয়েছে, আমরাও যাত্রীদের সঠিক সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •