মোহাম্মদ হোসেন,হাটহাজারী :

চট্টগ্রাম ৫ (হাটহাজারী) আসনে বিশ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক বলেছেন,দেশের অন্যান্য এলকার ন্যায় হাটহাজারীতেও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই।আমাদের নেতা কর্মীদের হয়রানী,ভীতি প্রদর্শন ও গ্রেফতার করা হচ্ছে।বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষের পোস্টার লাগাতে বাধা দেয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত আমাদের লাগানো পোস্টার ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। আমরা বিষয় গুলো প্রশাসনের কাছে জানিয়ে রাখার সত্ত্বেও এ সব কাজ করে যাচ্ছে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা।ধানের শীষের প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ ইবরাহিম।

গত সোমবার রাতে হাটহাজারী বাস স্টেশন এলাকায় ধানের শীষের নির্বাচনি কার্যালয়ে হাটহাজারীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মন্ত্রী সাহেব পুলিশ প্রটোকল নিয়ে চলাফেরা করছেন। আমি ওসি সাহেবের সাথে একাধিকবার দেখা করতে চেয়েছি। যখনই খোঁজ নিয়েছি, উনি মন্ত্রী সাহেবের সাথে ডিউটিতে থাকেন।

সৈয়দ ইবরাহিম বলেন,ব্যক্তি আনিসের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে, কিন্তু প্রার্থী আনিসের ব্যাপারে আমার ভীতি রয়েছে। তিনি প্রশাসনিক সবরকম সুবিধা নিচ্ছেন, যা উনি পেলে আমিও পাওয়ার কথা। তিনি লাঙ্গলের প্রার্থী হলেও নৌকা প্রতীক সাথে নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন যা আচরণ বিধির লঙ্ঘন।

সৈয়দ ইবরাহিম বলেন,আমি আশংকা করছি হাটহাজারীতে এমন পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে ভোটাররা ভোট দিতে যেতে না পারে। কিন্তু আমরা তা হতে দেবনা। আমরা ভোটারদের ভোট দেয়ার পরিবেশ সৃষ্টিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

জেনারেল ইবরাহিম বলেন, মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রথম সংসদ সদস্য হয়েছিলেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই। আশা করবো প্রথম সংসদ সদস্য হওয়া প্রতীকের সম্মান তিনি রাখবেন। তিনি নেতা কর্মীদের সংযত আচরণ করতে বলবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

সৈয়দ ইবরাহিম বলেন,ধানের শীষ নির্বাচিত হলে,আমরা হাটহাজারীর প্রধান প্রধান যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করব।সহিংস ও হানাহানির রাজনীতির পরিবর্তে সম্পৃতির পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।এসময় তিনি হাটহাজারীতে ইপিজেড স্থাপন,শিল্প এলাকা স্থাপন, কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, ফায়ারিং রেঞ্জ সংক্রান্ত সমস্যা নিষ্পত্তি, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের জন্য আবাসিক এলাকা সৃষ্টি করে প্লট বরাদ্দ সহ ২০ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন আমি আপনাদের মাধ্যমে সকলের দোয়া চাই এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাই। আমি নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতা চাই যাতে হাটহাজারীতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ তৈরীতে যথাযথ ভূমিকা রাখেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •