বার্তা পরিবেশক:
মহেশখালীতে গণফ্রন্টের (মাছমার্কা) প্রার্থী প্রফেসর ড. আনসারুল করিমের প্রচারণায় প্রতিদিন বাধা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গাড়ি ও মাইক ভাংচুর, গণসংযোগে বাধা এবং তাঁর ২ কর্মীকে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া নানাভাবে হুমকিসহ প্রচারণার কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ করেছেন ড. আনসারুল করিম। এই ব্যাপারে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ মতে, গত ১৩ ডিসেম্বর প্রচারণার প্রথম দিনে কালারমারছড়ার নোনাছড়িতে আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম চৌধুরীর নেতৃত্বে তার লোকজন ড. আনসারুল করিমের গাড়িতে হামলা করে। এসময় সেলিম চৌধুরী অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেছেন।

১৪ ই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কুতুবজোম ইউনিয়নের দইলার পাড়ায়ও মাছ মার্কার সমর্থনে গণসংযোগ করতে গেলে বিরোধী প্রার্থীর পক্ষের লোকজন বিভিন্ন ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এসময় তারা ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টাও করে।

১৬ ডিসেম্বর বিকালে মাছ মার্কার প্রচারণা চলাকালে বড় মহেশখালীর মধ্যম জাগিরা ঘোনায় বিরোধী পক্ষের লোকজন ড. আনসারুল করিমের প্রচারণা গাড়ি ও মাইক ভাংচুর করেছে। বিরোধী পক্ষের সমর্থক স্থানীয় বাদশা মিয়ার পুত্র আতাউল্লার নেতৃত্বে ১০/১২ সন্ত্রাসী মাছ মার্কার প্রচারণায় অংশ নেওয়া মাইকিং এর গাড়ীতে হামলা চালিয়ে গাড়ী এবং মাইক ভাংচুর করে।  ১৯ ডিসেম্বর ড. আনসারুল করিমের সমর্থক পুটিবিলা এলাকার ডা: মাহাবুবসহ দুজনকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে মাছ মার্কার প্রার্থী ড. আনসারুল করিম বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মানুষ নির্যাতন ও অবহেলার শিকা হয়েছেন। তাই জনগণ ভোটার আমার বিরোধী ওই প্রার্থীর উপর ক্ষেপা। তাই এবার জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয় করার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। এই ভীতি থেকে আমার সমর্থকদের হামলা-হয়রানি, প্রচারণায় বাধাসহ নানাভাবে বাধা দেয়া হচ্ছে।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •