মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু,নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান):
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বোমাংখিল গ্রামে দীর্ঘদিনের বসতবিটা বিরোধকে কেন্দ্র করে পতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের নারী ও ছাত্রসহ ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে।

বর্তমানে তারা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) বেলা ২.৩০ মিনিটের সময় গর্জনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বোমাংখিল গ্রমে। আহত শফিউল আলম জানান, তাদের ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া বসতবিটা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ ও বিচার সালিশ চলছিল। এর মাঝে শনিবার পতিপক্ষ একই গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে জয়নাল আবেদীন,হাবিবুল্লাহ,হাছেম,,হাফেজ গংদের নেতৃত্বে কিছু বহিরাগত সন্ত্রাসীরা হঠাৎ দেশি অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমাদের বসতভিটা দখলে নিতে আসেন। এ সময় তাদেরকে বাধা দেওয়ায় আমি ও আমাদের পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে নিজেদের খড়ে নিজারেেই আগুন লাগিয়ে দেয়।

ঘটনার সময় তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরতর আহতর হন মৃত ছৈয়দ আহাম্মদের ছেলে ছুরুত আলম ( ২২) শফিউল আলম (৩২) আবুল কালাম (৫০) ও আবুল কালামর মেয়ে ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী জন্নাতুল বকিয়া (১৩) ছেলে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র মোঃ তারেকুল ইসলাম (১২) শফিউল আলমের স্ত্রী তাহাামিনা আক্তার (২৭)। আহতদের মধ্যে শফিউল আলম ও জন্নাতুল বকিয়াকে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অংশকা জনক অবস্থায় অপর ৪ জনকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় তারেক ও ছুরুত আলমের অবস্থা খুবেই অংশকা জনক। গর্জনিয়া পুলিশের এ এস আই নুরুল্লাহ ভূইয়া জানান খবর পেয়ে গর্জনিয়া ফাঁড়ী পুলিশের আইসি অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ আলমগীরের নির্দেশে ঘটনা স্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন পুলিশ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান আহতদের শরীরের বিভিন্ন অংশে কাটা ও রক্তাক্ত আঘাত হয়ে অজ্ঞান অবস্থায় ঘটনা স্থলে তারেক, ছুরুত আলম,তাহামিনা আবুল কালাম মাঠিতে পড়ে যায়। এ সময় পুলিশের সহায়তায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ মোঃ আলমগীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযুক্ত জয়নাল গংদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন আমাদের খড় জালিয়ে দিয়ে আমাদের মারধর করলে এই ঘটানা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •