cbn  

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:

হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ চকরিয়া উপজেলা শাখার দ্বিতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা’১৮ সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলে উক্ত হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা।

হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন চকরিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি এইচএম জামাল উদ্দিন তাওহীদের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত অর্থ সম্পাদক হাফেজ রায়হানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নৌকা প্রতীকে এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব জাফর আলম বিএ(অনার্স)এমএ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু, মাতামুহুরী থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী। প্রধান আলোচক ছিলেন চকরিয়া আর রায়েদ মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা ফয়েজুল্লাহ আনোয়ার।

বিশেষ মেহমান ছিলেন হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা হাফেজ মো: আলম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ জাকারিয়া খালেদ, তানজিমে আহলে হক চকরিয়া উপজেলা সভাপতি ও বরইতলী মাদরাসার পরিচালক মাওলানা শোহাইব নোমানী, মালুমঘাট চা-বাগান মাদরাসার সহকারী পরিচালক মাওলানা মুফতি মাহমুদুল হক, ঢাকার বসুন্দরার মাওলানা মুফতি মাহমুদুল হক, হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা শাখার আহবায়ক মাওলানা হাফেজ দেলোয়ার হোসেন, হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম, পেকুয়া উপজেলা শাখার উপদেষ্টা হাফেজ জাকের হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ। উক্ত হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন হুফ্ফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ও ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিচার বিভাগীয় প্রধান মাওলানা হাফেজ আবদুর রশিদ, সহকারী বিচারক ছিলেন যথাক্রমে আল-জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার হেফজবিভাগের শিক্ষক হাফেজ মাওলানা সাজ্জাদ হোসেন, কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ ছানা উল্লাহ, পেকুয়া উপজেলা সভাপতি হাফেজ মো: রশিদ, কক্সবাজার জেলা আহবায়ক কমিটির অর্থ সম্পাদক ক্বারী হাফেজ আলমগীর হোছাইন ও রামু চাকমার মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা সৈয়দ করিম। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন চকরিয়া আর রায়েদ ফাউন্ডেশন।

হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ৫ পারা গ্রুপ থেকে ৫জন, ১০ পারা গ্রুপ থেকে ৫জন, ২০ পারা গ্রুপ থেকে ৫জন এবং ৩০ পারা গ্রুপ থেকে ৫জনসহ মোট ২০জন কৃতি ছাত্রকে আকর্ষণীয় পুরস্কার ও প্রশংসা পত্র প্রদান করা হয় এবং জেলার প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণে ইয়েস কার্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১৭০জন প্রতিযোগিকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •