cbn  

নিজস্ব প্রতিবেদক:
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছে প্রার্থীরা। সোমবার জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেনের কার্যালয়ে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। গণফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী হিসেবে কক্্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে মাছ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে হাজির হচ্ছেন বিশিষ্ট পরিবেশ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. আনসারুল করিম। তিনি নির্বাচনী মাঠে আসায় মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে সর্বদলীয়ভাবে নতুন মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে।  এ আসনে প্রফেসর ড. আনসারুল করিম বিগত ২০০৮ সনের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করলেও অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। উক্ত নির্বাচনে হেরে গেলেও তার জনপ্রিয়তা কোন অংশেই কমে যায়নি, বরং দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। তাছাড়াও পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ ধারার রাজনীতিবিদ হিসেবেও মহেশখালী-কুতুবদিয়ার ভোটারদের বড় একটি অংশের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ফলে তিনি প্রচার-প্রচরণায় নেমে পড়লে তার পক্ষে নতুন করে গণজোয়ার সৃষ্টি হবে বলে বিশ্বাস করে সচেতন মহল।

উল্লেখ্য যে, আগামী ১২ ডিসেম্বর তিনি মহেশখালীতে আগমনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা পুরোদমে শুরু করবেন বলে তার ব্যক্তিগত সূত্রে জানা যায়। মহেশখালী-কুতুবদিয়ার বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি গণফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর ড. আনসারুল করিমের পক্ষে কাজ করবেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। তিনি নির্বাচনী মাঠে হাজির হলে এ আসনের ভোটের চিত্র পাল্টে যেতে পারে।

বর্তমান সরকারের আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে প্রফেসর ড. আনসারুল করিম সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সার্বিক উন্নয়নে যোগ্যতম এ প্রার্থীকে মাছ প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে সরকারের বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •