প্রেস বিজ্ঞপ্তি

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে নির্বাচনী মাঠে জাফর আলম মহাজোটের প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মাঝেও নতুন ভাবে নতুন সমীকরণ হয়ে উঠেছে। নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি পাড়ায়-পাড়ায় গিয়ে গণসংযোগের পর রাত হলেই ভোটারদের বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন! প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করে যাচ্ছেন।

গ্রামে-মহল্লায় যাচ্ছেন জাফর আলম। কর্মী-সমর্থকরাও থাকছেন। সাধারণ মানুষ তাকে কাছে পেয়ে কেউ কেউ কেঁদে বুকে জড়িয়ে ধরছেন মহাজোটের একক প্রার্থী নৌকা প্রতীকের এই নেতাকে। তাদের স্বপ্নের মানুষ হিসেবে, সেই জাফরই আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের মনোনয়ন পাওয়ায় তৃণমূল আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও খুশি। সর্বত্রই এখন জাফলময়। রাত হলেই গণসংযোগ শেষে ভোটারদের বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে অনেক দক্ষ ও দলীয় নেতা হিসেবে দক্ষিণ চট্টলার পরিচিত মুখ।

চায়ের দোকান, গ্রাম্য বাজার, খেলার মাঠ সর্বত্রই এখন জাফরময়। চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাফর আলম এর আগে সদ্য সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার সাবেক মেয়র ছিলেন। গত এক যুগ ধরে বিভিন্ন স্থানে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সাথে চকরিয়ায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করে সাড়া ফেলেন তিনি। বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন। তাই মনোনয়ন পাওয়ার পর এখনও গ্রামে-গ্রামে ঘুরছেন তিনি।

সর্বশেষ ৫ডিসেম্বর রাত ১২টা কনকনে শীতে চকরিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ভোটার আহমদ রেজার বাড়িতে যান। রাত হওয়ার পর তাঁর বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে আবারো ওই এলাকার একটি মসজিদে ভোরে ফজরের নামাজ শেষ করে গণসংযোগ শুরু করেন। এর আগে ৩ডিসেম্বর সোমবার কাকারা শাহ উমরাবাদ এলাকায় শওকত উসমানের বাড়িতে রাত্রিযাপন করেন তিনি। সকালে ওই এলাকায়ও তিনি গণসংযোগ করেন। এছাড়াও কোনাখালী, পেকুয়া সদর, ডুলাহাজারাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ভোটারের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে গণসংযোগ করছেন।

ভোটাররা জানান, জাফর আলম মহাজোটের প্রার্থী হওয়ায় ভোটারদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এমন একজন ব্যক্তিকে চকরিয়া-পেকুয়ায় এমপি হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা পাঠিয়েছেন। যিনি জনতার কাতারে বসে কাজ করেন। তিনি পৌরসভার নির্বাচন ও উপজেলা নির্বাচনে এমনভাবে ভোট করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। এতে তিনি ভোটের মাঠে ভোটারদের মন জয় করেছেন। তিনি যে এলাকায় যান সেখানে জনতার ঢল নামে।

চকরিয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ভোটার আহমদ রেজা বলেন, ‘জাফর আলমের উন্নয়নের ছোঁয়ায় পুরো চকরিয়া বদলে দিয়েছেন। একজন ভোটারের বাড়িতে এমপি প্রার্থী ঘুমানো জনপ্রতিনিধির উপর ভোটারদের আস্তার জন্ম নেন। তিনি এবার বিপুল ভোটের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবে বলে আশা করছি।’

কাকারা ইউপি চেয়ারম্যান শওকত উসমান বলেন, ‘জাফর আলম চকরিয়া-পেকুয়ার মাটিও মানুষের প্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। এই আসনে জাফর আলমকে মনোনয়ন দেওয়ায় জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞতা জানায়। ওনি এমপি হলে এলাকার উন্নয়ন হবে।’

জানতে চাইলে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) মহাজোটের একক প্রার্থী জাফর আলম বলেন, ‘ একজন জনপ্রতিনিধির প্রাণ ভোটার। ভোটারদের খবরাখবর আগেই যেমন রেখেছি, এমপি হলেও আরো বেশী রাখব। চকরিয়া-পেকুয়া আসনটি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে উপহার দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে সরকারের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি। আমার মুল লক্ষ্য নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ৪৫বছরের হারানো আসনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করা।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
  •